লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ
বিদ্যুতের অপেক্ষায় চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার হাজারো পরিবার। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ফলে তীব্র গরমে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ। লোডশেডিং নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারছে না, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফ্রিজে রাখা খাবার। অনেক এলাকায় বিশুদ্ধ পানির মোটরও চালানো যাচ্ছে না।
লোডশেডিং নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। কেউ লিখছেন, বিদ্যুৎ নয়, যেন লুকোচুরি চলছে। আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন, প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পরও কেন সমাধান মিলছে না?
ফেসবুকে মো. দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘দুই ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ এলো, কিন্তু মাত্র চার মিনিট পর আবার চলে গেল। এভাবে চলতে পারে না। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নতি করতে না পারলে জনগণের ক্ষোভ আরও বাড়বে। হে সোনাগাজীর মানুষ, এই অনিয়ম ও দুর্ভোগের বিরুদ্ধে কথা বলার সময় কি
বিদ্যুতের অপেক্ষায় চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার হাজারো পরিবার। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ফলে তীব্র গরমে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ। লোডশেডিং নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, লোডশেডিংয়ের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারছে না, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ফ্রিজে রাখা খাবার। অনেক এলাকায় বিশুদ্ধ পানির মোটরও চালানো যাচ্ছে না।
লোডশেডিং নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। কেউ লিখছেন, বিদ্যুৎ নয়, যেন লুকোচুরি চলছে। আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন, প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পরও কেন সমাধান মিলছে না?
ফেসবুকে মো. দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘দুই ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ এলো, কিন্তু মাত্র চার মিনিট পর আবার চলে গেল। এভাবে চলতে পারে না। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নতি করতে না পারলে জনগণের ক্ষোভ আরও বাড়বে। হে সোনাগাজীর মানুষ, এই অনিয়ম ও দুর্ভোগের বিরুদ্ধে কথা বলার সময় কি এখনও আসেনি? চুপ করে থাকবেন না, আওয়াজ তুলুন।’
আব্দুল হালিম নামের একজন সরকারি চাকুরিজীবী লিখেছেন, ‘জনগণ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের টাকা পেল। কিন্তু বাসায় এসে যদি বিদ্যুৎ না পায় তাহলে ওই লোক বিদ্যুতের জন্য সরকারকে গালি দেবে। এতে সরকারের সুনাম নষ্ট হবে। সরকারে উচিত অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ান। এতে দেশের মানুষ সন্তুষ্ট থাকবে।’
রাশেদুল আলম খান নামের একজন লিখেছেন, ‘বিদ্যুতের এমন সমস্যা কবে দেখেছি মনেই নাই। দিনে তো নাই, রাতের বেলা যে ঘুমাবেন সে উপায়ও নাই। ২ ঘণ্টা পর এসে ৪০ মিনিট থাকে। সারারাত ঘুমাতে পারিনি।
সচেতন নাগরিক সমাজের দাবি, সমস্যার প্রকৃত কারণ দ্রুত জানিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে এই তীব্র গরমে শিশু, বয়স্ক ও রোগীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সোনাগাজী জোনাল অফিসের ডিজিএম মোস্তফা কামাল বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্ব আমাদের। তবে চাহিদা অনুযায়ী জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ না পেলে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। বর্তমানে সোনাগাজী উপজেলায় প্রতিদিন ‘পিক আওয়ার’-এ বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৭ মেগাওয়াট। কিন্তু জাতীয় গ্রিড থেকে আমরা মাত্র ৮ থেকে ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছি।