শবে বরাত উপলক্ষে হালুয়া বিতরণ করা কি নিষিদ্ধ?

প্রশ্ন: শবে বরাত উপলক্ষে হালুয়া বিতরণ করা কি নিষিদ্ধ? উত্তর: ইসলামে শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত বা ১৫ তারিখের রাতটি বিশেষ ফজিলতপূর্ণ রাত। এ রাত সম্পর্কে রাসুল (সা.)  বলেছেন, আল্লাহ তাআলা মধ্য শাবানের রাতে তার সৃষ্টিকুলের দিকে দয়ার দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫) মধ্য শাবানের রাত বা শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতই আমাদের দেশে শবে বরাত বা বরাতের রাত হিসেবে পরিচিত। এ রাতে আমাদের কর্তব্য শিরক ত্যাগ করে নিজের ইমানকে শক্তিশালী করা, কারো সাথে ঝগড়া-বিবাদ থাকলে মিটিয়ে ফেলা, কারো প্রতি বিদ্বেষ বা শত্রুতা থাকলে ক্ষমা করে দেওয়া, সদকা করা, হাদিয়া আদান-প্রদান করা, এ ছাড়া অন্যান্য নেক আমল ও ইবাদতের মাধ্যমেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা; যেন আল্লাহর রহমত ও ক্ষমায় আমরাও শামিল হতে পারি। শবে বরাত উপলক্ষে  প্রতিবেশী, আত্মীয় স্বজন বা দরিদ্রদের হালুয়া, রুটিসহ যে কোনো খাবার খাওয়ানো বা বিতরণ করা নাজায়েজ হওয়ার কোনো কারণ নেই। সদকা ও হাদিয়া সব সময়ই নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু বিশেষভাবে হালুয়া-রুটি বানানো, খাওয়া ও বিরতরণকে শবে বরাতের জরুরি বা বিশেষ ফ

শবে বরাত উপলক্ষে হালুয়া বিতরণ করা কি নিষিদ্ধ?

প্রশ্ন: শবে বরাত উপলক্ষে হালুয়া বিতরণ করা কি নিষিদ্ধ?

উত্তর: ইসলামে শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত বা ১৫ তারিখের রাতটি বিশেষ ফজিলতপূর্ণ রাত। এ রাত সম্পর্কে রাসুল (সা.)  বলেছেন, আল্লাহ তাআলা মধ্য শাবানের রাতে তার সৃষ্টিকুলের দিকে দয়ার দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫)

মধ্য শাবানের রাত বা শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতই আমাদের দেশে শবে বরাত বা বরাতের রাত হিসেবে পরিচিত। এ রাতে আমাদের কর্তব্য শিরক ত্যাগ করে নিজের ইমানকে শক্তিশালী করা, কারো সাথে ঝগড়া-বিবাদ থাকলে মিটিয়ে ফেলা, কারো প্রতি বিদ্বেষ বা শত্রুতা থাকলে ক্ষমা করে দেওয়া, সদকা করা, হাদিয়া আদান-প্রদান করা, এ ছাড়া অন্যান্য নেক আমল ও ইবাদতের মাধ্যমেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা; যেন আল্লাহর রহমত ও ক্ষমায় আমরাও শামিল হতে পারি।

শবে বরাত উপলক্ষে  প্রতিবেশী, আত্মীয় স্বজন বা দরিদ্রদের হালুয়া, রুটিসহ যে কোনো খাবার খাওয়ানো বা বিতরণ করা নাজায়েজ হওয়ার কোনো কারণ নেই। সদকা ও হাদিয়া সব সময়ই নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু বিশেষভাবে হালুয়া-রুটি বানানো, খাওয়া ও বিরতরণকে শবে বরাতের জরুরি বা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ আমল মনে করলে তা বিদআত গণ্য হবে। হালুয়া রুটি বানানো, খাওয়া বা বিতরণ করা শবে বরাতের বিশেষ কোনো আমল নয়।

শবে বরাতের বিশেষ আমল মনে না করলে বা এ রকম ভুল ধারণা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে হালুয়া-রুটি বানানো, খাওয়া ও বিরতরণ করা নাজায়েজ নয়।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow