শরিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে সোমবার শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত
যুগপৎ আন্দোলন-সংগ্রামের শরিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তাদের মধ্যে এ সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সিব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দল বা আলোচ্যসূচি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। যদিও বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিরোধীদলগুলোর বাইরে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের এ মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। আরও পড়ুন শরিকদের সঙ্গে দূরত্ব কমাতে ২০ জুলাই যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক সূত্রগুলোর ভাষ্য, সরকার গঠনের পর শরিকদের সঙ্গে এটিই হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। রাজনৈতিক মহলে এ উদ্যোগকে কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে নয়, বরং জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় জোরদার এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সম্পর্কের রূপরেখা নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেও দেখ
যুগপৎ আন্দোলন-সংগ্রামের শরিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তাদের মধ্যে এ সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সিব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দল বা আলোচ্যসূচি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
যদিও বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিরোধীদলগুলোর বাইরে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের এ মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
সূত্রগুলোর ভাষ্য, সরকার গঠনের পর শরিকদের সঙ্গে এটিই হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
রাজনৈতিক মহলে এ উদ্যোগকে কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে নয়, বরং জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় জোরদার এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সম্পর্কের রূপরেখা নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের আগে বিএনপির নেতৃত্বে যুগপৎ আন্দোলনে চারটি জোটসহ নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে ৪২টি রাজনৈতিক দল সক্রিয় ছিল। নির্বাচনের সময় শরিকদের মধ্যে ১১টি দলকে ১৬টি আসন ছেড়ে দেয় বিএনপি। সরকার গঠনের পর শরিকদের মধ্য থেকে দুজন নেতা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেও অধিকাংশ দল এখনো সরকার কিংবা বিভিন্ন সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে প্রত্যাশিত প্রতিনিধিত্ব পায়নি বলে সংশ্লিষ্ট নেতারা মনে করেন।

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ জোট নেতাদের বৈঠক
জোট শরিক সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জোটের শরিক দলগুলোকে বিএনপির দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে। এ নিয়ে শরিকদের সঙ্গে চলছে টানাপোড়েন। তাই মিত্রদের মান ভাঙাতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যমুনা বৈঠক ও নৈশভোজের আয়োজন করেছেন। সেখানে তারেক রহমানের সঙ্গে শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের খোলামেলা আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কেএইচ/ইএ
What's Your Reaction?
