শরীরের ভঙ্গিমা দেখে ফ্যানের গতি বাড়াবে কমাবে এআই

গরমে স্বস্তি দিতে সিলিং ফ্যান সারাক্ষণ চলছে মাথার উপরে। রাতে ফুল স্পিডে ফ্যান চালিয়ে ঘুমালেন, মাঝরাতে মনে হলো ঠান্ডা লাগছে, একটু কমানো দরকার। সাধের ঘুম রেখে বারবার উঠতেও ইচ্ছা করে না। বারবার রেগুলেটর ঘুরানোর দিন শেষ। এখন আপনার শরীরের নড়াচড়া, ভঙ্গি দেখেই ফ্যানের গতি বাড়িয়ে কমিয়ে দেবে এআই। এমনই এক অভিনব এআই ফ্যান আবিষ্কার করেছেন ভারতের বেঙ্গালুরুর এক আইটি কর্মী পঙ্কজ। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন ‘ভোর তিনটায় উঠে ফ্যানের স্পিড কমাতে কমাতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি।’ এরপরই তার মাথায় আসে আইডিয়া। যুগটা এআইয়ের। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটছে প্রযুক্তি! বর্তমান সময়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। বিশ্বের তাবড় সংস্থাগুলো এআই’তে বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ করছে। যত সময় যাচ্ছে, তত দ্রুত দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এবার ঘুমের সময় পাখার গতি নির্ধারণ, বন্ধ-খোলার মতো কাজেও সে সঙ্গ দেবে! তবে পঙ্কজ একেবারে নিজের কষ্ট লাঘব করতেই এই প্রযুক্তি তৈরি করেছেন। তিনি তার সিস্টেমকেই দায়িত্ব দেন পুরো বিষয়টি ‘মনিটর’ করতে। যাতে সেটি তার ঘুমন্ত শরীরের ভঙ্গিমা দেখে বুঝে নেয় ত

শরীরের ভঙ্গিমা দেখে ফ্যানের গতি বাড়াবে কমাবে এআই

গরমে স্বস্তি দিতে সিলিং ফ্যান সারাক্ষণ চলছে মাথার উপরে। রাতে ফুল স্পিডে ফ্যান চালিয়ে ঘুমালেন, মাঝরাতে মনে হলো ঠান্ডা লাগছে, একটু কমানো দরকার। সাধের ঘুম রেখে বারবার উঠতেও ইচ্ছা করে না। বারবার রেগুলেটর ঘুরানোর দিন শেষ। এখন আপনার শরীরের নড়াচড়া, ভঙ্গি দেখেই ফ্যানের গতি বাড়িয়ে কমিয়ে দেবে এআই।

এমনই এক অভিনব এআই ফ্যান আবিষ্কার করেছেন ভারতের বেঙ্গালুরুর এক আইটি কর্মী পঙ্কজ। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন ‘ভোর তিনটায় উঠে ফ্যানের স্পিড কমাতে কমাতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছি।’ এরপরই তার মাথায় আসে আইডিয়া।

যুগটা এআইয়ের। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটছে প্রযুক্তি! বর্তমান সময়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। বিশ্বের তাবড় সংস্থাগুলো এআই’তে বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ করছে। যত সময় যাচ্ছে, তত দ্রুত দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এবার ঘুমের সময় পাখার গতি নির্ধারণ, বন্ধ-খোলার মতো কাজেও সে সঙ্গ দেবে!

তবে পঙ্কজ একেবারে নিজের কষ্ট লাঘব করতেই এই প্রযুক্তি তৈরি করেছেন। তিনি তার সিস্টেমকেই দায়িত্ব দেন পুরো বিষয়টি ‘মনিটর’ করতে। যাতে সেটি তার ঘুমন্ত শরীরের ভঙ্গিমা দেখে বুঝে নেয় তার শীত করছে না গরম লাগছে। তারপর সেই বুঝে পাখার গতি বাড়িয়ে বা কমিয়ে দেবে।

যদি তার হাত-পা কম্বলের বাইরে বেরিয়ে থাকে তাহলে এআই বুঝে নেবে গরম লাগছে। সেক্ষেত্রে সেটি ফ্যান চালিয়ে দেবে। আবার হাত-পা মুড়ে শুলে বন্ধ করে দেবে পাখা। কেননা সে বুঝে যাবে পঙ্কজের তখন ঠান্ডা লাগছে। তিনি জানিয়েছেন, সিস্টেমটি তার রাস্পবেরি পাই হোম সার্ভারে একটি মিডিয়াপাইপ পোজ ভিশন মডেল চালায়। যা রিয়েল টাইমে তার ঘুমন্ত অবস্থান শনাক্ত করে এবং ফ্যানটি সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় করার জন্য কমান্ড পাঠায়। তার কাছে ‘এটাই প্রকৃত স্মার্ট হোম।’

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে,

আরও পড়ুন
কোন গতিতে ফ্যান চালালে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে?
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চললে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত আসবে?

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow