শহরকে ভালোবাসতে না পারলে উন্নয়ন টেকসই হবে না : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘শহরকে ভালোবাসতে না পারলে উন্নয়ন টেকসই হবে না। এই শহর আমাদের সবার। তাই খাল, নালা ও জলাধার রক্ষা করা নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব।’ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন এলাকায় চলমান মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিষ্কারের বিশেষ কার্যক্রম কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদারকি শেষে তিনি এসব কথা বলেন।  এর আগে তিনি লালখান বাজার ওয়ার্ডের ইস্পাহানী এলাকা থেকে এমইএস কলেজ পর্যন্ত এবং পরে গরীবউল্লাহ হাউজিং সোসাইটি এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এরপর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের আল-আমিন হাসপাতাল থেকে এ কে খান গেট পর্যন্ত নালা পরিষ্কারের কাজ পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি। জলাবদ্ধতার কারণ উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘আমরা নিজেরাই অনেক সময় নালা-খাল দখল ও ভরাট করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছি। শুধু পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালালেই হবে না, নাগরিক সচেতনতা না বাড়লে আবারও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।’  তিনি আরও জানান, গত বর্ষায় যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা বেশি হয়েছিল, সেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে। আ

শহরকে ভালোবাসতে না পারলে উন্নয়ন টেকসই হবে না : চসিক মেয়র
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘শহরকে ভালোবাসতে না পারলে উন্নয়ন টেকসই হবে না। এই শহর আমাদের সবার। তাই খাল, নালা ও জলাধার রক্ষা করা নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব।’ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন এলাকায় চলমান মাসব্যাপী নালা-নর্দমা পরিষ্কারের বিশেষ কার্যক্রম কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদারকি শেষে তিনি এসব কথা বলেন।  এর আগে তিনি লালখান বাজার ওয়ার্ডের ইস্পাহানী এলাকা থেকে এমইএস কলেজ পর্যন্ত এবং পরে গরীবউল্লাহ হাউজিং সোসাইটি এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এরপর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের আল-আমিন হাসপাতাল থেকে এ কে খান গেট পর্যন্ত নালা পরিষ্কারের কাজ পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি। জলাবদ্ধতার কারণ উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘আমরা নিজেরাই অনেক সময় নালা-খাল দখল ও ভরাট করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছি। শুধু পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালালেই হবে না, নাগরিক সচেতনতা না বাড়লে আবারও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।’  তিনি আরও জানান, গত বর্ষায় যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা বেশি হয়েছিল, সেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে। আগামী বর্ষায় নগরবাসীকে যাতে ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সে জন্য পর্যায়ক্রমে সব নালা-খাল পুনরুদ্ধার করা হবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি এবং উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা প্রমুখ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow