শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাস্তব রূপ: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বিন্দু থেকে সিন্ধুতে

বাংলাদেশের শিক্ষা ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হলো বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী চিন্তা ছিল- সবার জন্য শিক্ষা, সর্বত্র শিক্ষা। তার সেই মানবিক ও প্রগতিশীল স্বপ্ন ছিল এমন একটি উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতির বিশেষায়িত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে কর্মজীবী মানুষ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নারী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীসহ সকলের জন্য উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত থাকবে। শহীদ জিয়ার সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপ লাভ করে আপসহীন দেশনেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর দূরদর্শী নেতৃত্বে। ১৯৯২ সালে জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠার পেছনে নীতিনির্ধারণী ও কারিগরি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য প্রয়াত অধ্যাপক ড. এম শমশের আলী, যিনি ছিলেন এ উদ্যোগের অন্যতম মূল উদ্যোক্তা ও রূপকার। প্রতিষ্ঠালগ্নে সীমিত অবকাঠামো ও স্বল্পসংখ্যক প্রোগ্রাম নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও আজ বাউবি ‘বিন্দু থেকে সিন্ধুতে’ পরিণত হয়েছে।

শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাস্তব রূপ: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বিন্দু থেকে সিন্ধুতে

বাংলাদেশের শিক্ষা ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হলো বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী চিন্তা ছিল- সবার জন্য শিক্ষা, সর্বত্র শিক্ষা। তার সেই মানবিক ও প্রগতিশীল স্বপ্ন ছিল এমন একটি উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতির বিশেষায়িত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে কর্মজীবী মানুষ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নারী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীসহ সকলের জন্য উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত থাকবে।

শহীদ জিয়ার সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপ লাভ করে আপসহীন দেশনেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-এর দূরদর্শী নেতৃত্বে। ১৯৯২ সালে জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠার পেছনে নীতিনির্ধারণী ও কারিগরি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য প্রয়াত অধ্যাপক ড. এম শমশের আলী, যিনি ছিলেন এ উদ্যোগের অন্যতম মূল উদ্যোক্তা ও রূপকার।

প্রতিষ্ঠালগ্নে সীমিত অবকাঠামো ও স্বল্পসংখ্যক প্রোগ্রাম নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও আজ বাউবি ‘বিন্দু থেকে সিন্ধুতে’ পরিণত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত আঞ্চলিক কেন্দ্র, উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র ও টিউটোরিয়াল সেন্টারের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় এনেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়।  মাধ্যমিক স্তর থেকে শুরু করে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত প্রোগ্রাম পরিচালনার মাধ্যমে বাউবি আজ জাতীয় উন্নয়নের এক শক্তিশালী অংশীদার।

বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় এক নতুন গতি পেয়েছে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাল প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, অনলাইন ও ব্লেন্ডেড লার্নিং পদ্ধতির উন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম জোরদারকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের লক্ষ্যে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তার দূরদর্শী পরিকল্পনা ও গতিশীল নেতৃত্বে বাউবি কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, বরং সামাজিক রূপান্তরের এক কার্যকর মাধ্যম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আজ দেশের বৃহত্তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম। উচ্চশিক্ষায় অন্তর্ভুক্তিমূলক সুযোগ সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মজীবী মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি, বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা এবং শিক্ষার গণতন্ত্রীকরণে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য।

শহীদ জিয়ার স্বপ্ন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাস্তবায়ন এবং দক্ষ শিক্ষানায়কদের নিবেদিত প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আজ জাতির গর্ব। সত্যিই, এটি এক আলোকবর্তিকা- যা অগণিত মানুষের জীবনে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে।

বিন্দু থেকে সিন্ধুতে উত্তরণের এ অভিযাত্রা অব্যাহত থাকুক- এই প্রত্যাশাই আজ জাতির।

মো. জাহাঙ্গীর হোসেন পাইক, যুগ্ম-পরিচালক, তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow