শাপলা চত্বরে শহীদদের খুনিদের বিচার করতে হবে : হেফাজতে ইসলাম

২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশে সংঘটিত হামলায় শহীদদের গভীর শোক ও ক্ষোভের সঙ্গে স্মরণ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ পল্টন জোন। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, ‘ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত খুনিদের চিহ্নিত করে দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচারের আওতায় আনতে হবে।’ সোমবার (৪ মে) বাদ মাগরিব শাপলা চত্বরের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তারা এসব কথা বলা হয়।  পল্টন জোন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জোনের সভাপতি মুফতি সালাহ উদ্দীন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী। এতে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাসউদ খান, মাওলানা মাঞ্জুরুল হক, মাওলানা মাখদুম ও মাওলানা আবদুল্লাহ রাসেল প্রমুখ। এ ছাড়া দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি জুবায়ের রশিদ। বক্তারা বলেন, ‘একটি সভ্য ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রে কোনো নাগরিকের প্রাণহানি দমন-পীড়নের মাধ্যমে ঘটতে পারে না। শাপলা চত্বরের ঘটনা কেবল একটি মানবিক বিপর্যয় নয়, এটি ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের সঙ্গে জড়িত গুরুতর ইস্যু।’ তারা বলেন, ‘ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে

শাপলা চত্বরে শহীদদের খুনিদের বিচার করতে হবে : হেফাজতে ইসলাম

২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশে সংঘটিত হামলায় শহীদদের গভীর শোক ও ক্ষোভের সঙ্গে স্মরণ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ পল্টন জোন। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, ‘ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত খুনিদের চিহ্নিত করে দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

সোমবার (৪ মে) বাদ মাগরিব শাপলা চত্বরের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তারা এসব কথা বলা হয়। 

পল্টন জোন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জোনের সভাপতি মুফতি সালাহ উদ্দীন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী।

এতে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাসউদ খান, মাওলানা মাঞ্জুরুল হক, মাওলানা মাখদুম ও মাওলানা আবদুল্লাহ রাসেল প্রমুখ। এ ছাড়া দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি জুবায়ের রশিদ।

বক্তারা বলেন, ‘একটি সভ্য ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রে কোনো নাগরিকের প্রাণহানি দমন-পীড়নের মাধ্যমে ঘটতে পারে না। শাপলা চত্বরের ঘটনা কেবল একটি মানবিক বিপর্যয় নয়, এটি ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের সঙ্গে জড়িত গুরুতর ইস্যু।’

তারা বলেন, ‘ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচার ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি জানাই।’

বক্তারা আরও বলেন, ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো সম্ভব। সত্য ও ন্যায় একদিন অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow