শাশুড়ির শেষকৃত্য নিয়ে ভ্লগ, বিপাকে ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর

শোকের মুহূর্ত, যেখানে থাকার কথা নীরবতা আর অশ্রুর, সেই সময়েই ক্যামেরা চালু করে ভিডিও ধারণ! আর সেটিই ছড়িয়ে পড়ল সামাজিক মাধ্যমে। শাশুড়ির মৃত্যু ও শেষকৃত্যের পুরো ঘটনাকে ভ্লগে তুলে ধরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ নামক ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া এই নারীর এমন আচরণে ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা। শোকের মুহূর্তে ক্যামেরা চালু করে ভিডিও ধারণ এবং তা প্রচার করাকে অনেকেই স্রেফ ‘অর্থ উপার্জনের নেশা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। জানা যায়, মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায় দীর্ঘ দিন ধরে বিদেশে বসবাস করলেও নিয়মিত লাইফস্টাইল ভ্লগ তৈরি করে অনুসারীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। সম্প্রতি তার শাশুড়ির মৃত্যু হলে তিনি বিদেশ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নিজ দেশ ভারতে ফেরেন। তবে পরিবারের এই কঠিন সময়েও তিনি তার ক্যামেরা বন্ধ রাখেননি। দুই দিন আগে তার চ্যানেলে শাশুড়ির মরদেহ, তার সামনে বসে কান্নাকাটি এবং শেষযাত্রার দৃশ্যসহ একটি বিস্তারিত ভিডিও পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং শুরু হয় তীব্র সমাল

শাশুড়ির শেষকৃত্য নিয়ে ভ্লগ, বিপাকে ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর
শোকের মুহূর্ত, যেখানে থাকার কথা নীরবতা আর অশ্রুর, সেই সময়েই ক্যামেরা চালু করে ভিডিও ধারণ! আর সেটিই ছড়িয়ে পড়ল সামাজিক মাধ্যমে। শাশুড়ির মৃত্যু ও শেষকৃত্যের পুরো ঘটনাকে ভ্লগে তুলে ধরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ‘প্রবাসে ঘরকন্না’ নামক ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া এই নারীর এমন আচরণে ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা। শোকের মুহূর্তে ক্যামেরা চালু করে ভিডিও ধারণ এবং তা প্রচার করাকে অনেকেই স্রেফ ‘অর্থ উপার্জনের নেশা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। জানা যায়, মহুয়া গঙ্গোপাধ্যায় দীর্ঘ দিন ধরে বিদেশে বসবাস করলেও নিয়মিত লাইফস্টাইল ভ্লগ তৈরি করে অনুসারীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। সম্প্রতি তার শাশুড়ির মৃত্যু হলে তিনি বিদেশ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নিজ দেশ ভারতে ফেরেন। তবে পরিবারের এই কঠিন সময়েও তিনি তার ক্যামেরা বন্ধ রাখেননি। দুই দিন আগে তার চ্যানেলে শাশুড়ির মরদেহ, তার সামনে বসে কান্নাকাটি এবং শেষযাত্রার দৃশ্যসহ একটি বিস্তারিত ভিডিও পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। ভিডিওর নিচে মন্তব্য করে অনেক অনুসারী তাদের হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ লিখেছেন, ভিউ আর টাকা আয়ের জন্য মৃত মানুষকে ব্যবহার করা লজ্জাজনক। আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, শোকাতুর পরিবেশে পরিবারের সদস্যদের সামনে ক্যামেরা ধরা অসংবেদনশীলতার পরিচয়।  সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, ব্যক্তিগত শোকের বিষয়গুলো পর্দার আড়ালে রাখাই শ্রেয় ছিল। তবে এ বিষয়ে সেই কনটেন্ট ক্রিয়েটরের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow