শাহীন ইমতিয়াজের কিশোর কবিতা
তৃপ্তি পাবে মহাকালব্যাপী স্ফুটোলাঙ্কের মতো তুমি ছিটকে যাও তারকারাজির মতো ঘুরে বেরাও উল্কাপিণ্ড, হ্যালির ধুমকেতুর মতো তুমি হঠাৎ দেখা দেও কিছুই বুজতে পারিনা, তুমি হয়তোবা জানোনা, তোমার জন্য আমি সব'ই করতে পারি। কালবৈশাখীর ঘূর্ণিঝড়েও আমি তোমার জন্য নীল দরিয়ার মাঝে গিয়ে ঘুর্নায়মান জল আনতে পারি, কারন আমার হৃদপিণ্ড খেয়ে প্রফুল্লতা পাবে। ওগো সফটওয়্যার তোমাকে নিয়ে একাল ব্যাপি মহাচিত্তে স্বপ্নে দেখি তোমার ডিম্বাণুতে স্থান হবে শুধু আমার শুক্রাণুর তারপর ওরা সেথায় যুদ্ধ করে ভ্রুণ সৃষ্টি করবে। আর সেই ভ্রুণের আর্তচিৎকার তোমাকে মায়া শেখাবে বেগবান করে তুলবে, তুমি দিন, দিন ঝলসে যাবে শুকাতে থাকবে, তবে তৃপ্তি পাবে মহাকালব্যাপী, কারন ভূপৃষ্ঠ হবে তোমার আমার ভালোবাসার সোনালি ফসল। ভুখার দৃষ্টি ভূখার অপলক দৃষ্টি মক্তবের ছোট্ট সারির ওই আমেনা এখন সবই বুঝতে শুরু করেছে গায়ের ভারে স্তন দুটিও টকবগে স্বচ্ছতার জবাবদিহিতা হয়েছে, গালি হলে উইথড্র করে নিলাম। তবুও একবার অপলক তাকিয়ে থাকলে বুঝবে তুমি ঠিকই? ফলের আবেশে ছন্ন বিছিন্ন শরীর এক হয়ে আবাদি জমি হয়েছে। কোনো কিটনাশক ছাড়াই ফসল ভূপৃষ্ঠ হয়েছে। ভ
তৃপ্তি পাবে মহাকালব্যাপী
স্ফুটোলাঙ্কের মতো তুমি ছিটকে যাও
তারকারাজির মতো ঘুরে বেরাও
উল্কাপিণ্ড, হ্যালির ধুমকেতুর মতো
তুমি হঠাৎ দেখা দেও
কিছুই বুজতে পারিনা,
তুমি হয়তোবা জানোনা, তোমার জন্য
আমি সব'ই করতে পারি।
কালবৈশাখীর ঘূর্ণিঝড়েও আমি
তোমার জন্য নীল দরিয়ার মাঝে গিয়ে
ঘুর্নায়মান জল আনতে পারি, কারন
আমার হৃদপিণ্ড খেয়ে প্রফুল্লতা পাবে।
ওগো সফটওয়্যার তোমাকে নিয়ে
একাল ব্যাপি মহাচিত্তে স্বপ্নে দেখি
তোমার ডিম্বাণুতে স্থান হবে শুধু
আমার শুক্রাণুর
তারপর ওরা সেথায় যুদ্ধ করে
ভ্রুণ সৃষ্টি করবে।
আর সেই ভ্রুণের আর্তচিৎকার
তোমাকে মায়া শেখাবে
বেগবান করে তুলবে,
তুমি দিন, দিন ঝলসে যাবে
শুকাতে থাকবে, তবে
তৃপ্তি পাবে মহাকালব্যাপী, কারন
ভূপৃষ্ঠ হবে তোমার আমার
ভালোবাসার সোনালি ফসল।
ভুখার দৃষ্টি
ভূখার অপলক দৃষ্টি
মক্তবের ছোট্ট সারির ওই আমেনা
এখন সবই বুঝতে শুরু করেছে
গায়ের ভারে স্তন দুটিও টকবগে
স্বচ্ছতার জবাবদিহিতা হয়েছে,
গালি হলে উইথড্র করে নিলাম।
তবুও একবার অপলক তাকিয়ে
থাকলে বুঝবে তুমি ঠিকই?
ফলের আবেশে ছন্ন বিছিন্ন শরীর
এক হয়ে আবাদি জমি হয়েছে।
কোনো কিটনাশক ছাড়াই ফসল
ভূপৃষ্ঠ হয়েছে। ভূখার দৃষ্টি এখন
আর ওই স্তনের দিকে নেই।
বাইশ সেকেন্ডের প্রেম
প্রথম ক্লাস শেষ করে—
কলোনির আব্দুল লতিফের চা স্টলে
তোমার তেল রঙা মুখ দেখে—
বিড়ির আগুন নিভে যাওয়াটা
এক অলৌকিক প্রেমের উত্থান।
তোমার চায়ের কাপে ঠোঁট লাগানোর স্টাইল
প্রতি রাতে স্বপ্নে দেখি—
এই বুঝি মনে হয় চায়ের কাপটাই আমি।
হরিণীর মতো মায়াবী চোখে
তাকিয়ে ছিলে আমার দিকে,
ছুলছুল খেলা, তারপর আলতো পরিচয়
তারপর তারপর ভালোলাগা
আমার প্রেমে পড়েছে কেউ বুঝতে পেরে
এক নিমিষেই ভূমিধস স্বপ্নে আমি।
মানিক, খেল খতম, মনে হয়—
ওর চৌদ্দগোষ্ঠীর ধানে মই দিয়েছি,
তুমিও বোজার চেষ্টা করলে না?
তখন থেকেই তোমার চোখে ঘৃণার ট্যাবলেট
তবুও তোমার ওই দিনের কথা, স্মৃতি সবকিছু
আজও মগজ প্যাডে নোট করা,
তোমার সাথে কথা হয়েছিলো তেইশ মিনিটের,
তার মধ্য প্রেম বাইশ সেকেন্ডের,
আর এই বাইশ সেকেন্ডের প্রেমে
তোমায় ভালোবেসেছি
বাইশ হাজার লক্ষ কোটি মিনিট।
স্বপ্ন আমার মগজেই
প্রথম দেখলাম কোথায় যেন তোমায়
আমার খেয়াল আসে না ওহ বই মেলায়।
তবে দেখা হওয়ার আড়াই বছর পর
হঠাৎ একদিন রাতে স্বপ্নে তোমায়
চুম্বন করলাম, আহ শান্তি! ঘুম ভেঙে সকাল বেলা
মনে পড়ে গেলো সেই আড়াই বছর আগের স্মৃতি।
তারপর থেকে তোমার খোঁজ নিতে থাকি
খোঁজ নেওয়ায় হঠাৎ দেখি তুমি আমার
ফেসবুক ফ্রেন্ড, তারপর থেকে তোমার
সব পোস্টেই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার
তোমায় নিয়ে আমি ঘর বাঁধতে চাই
বলার সেই সাহসটুকু পাই না।
এভাবে চলে গেলো আরও দেড় বছর
একদিন ফাইনাল, সবকিছু তোমায় বলবো
আমি তোমার নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখি
ওগো আমায় একটু প্রেম দাও,
নিজে নিজেই সব ঠিক করলাম
সকাল বেলা বলবো তোমার ম্যাসেঞ্জারে।
রাতটা ছটপট করে কাটলো
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই দেখি তোমার পোস্ট
তোমার মেয়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে
অনার্স তৃতীয় বর্ষ কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ।
সেই পোস্ট দেখে আমি আকাশে না পাতালে
কিছুই অনুধাবণ করতে পারলাম না।
আমার চার বছরের স্বপ্ন এক সেকেন্ডেই
ভেঙে চুরমার হলো,
দশম শ্রেনি থেকেই তোমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি।
আর এখন পড়ি সবেমাত্র অনার্স প্রথম বর্ষে
আর তোমার মেয়ে চতুর্থ বর্ষে,
ঘর বাঁধার স্বপ্নে লম্বা একটা প্রাচীর,
তবুও আমার কিছু যায় আসে না।
ঘর বাঁধার ধর্মে স্বপ্ন আমার মগজেই
ইচ্ছেটাতো জীবিত আছেই।
বেগম পাড়ায়
দুষ্ট তুমি এমন করে লোক সমাজে থাকো
ভালো সেজে তলেতলে ব্যাশার ছবি আঁকো।
দিনের বেলা হাজি সেজে কর্ম করো সারা
রাত হলে তুমিতো দিন ভুলে যাও বেগম পাড়া।
ছকিনা মরে গেছে দিতে যায়না কেউ মাটি
রটনা ছড়াও সেথায় আছে আস্ত বেশ্যার ঘাঁটি।
রাত হলে তুমিও পরাও বেশ্যার গলায় গয়না
আজ বেশ্যা মরে গেছে জানাযা কেন হয়না।
সাধু, বৈদ্য, সেজে তুমি রটনা বেশ্যার ছরাও
রাত হলে বেগম পাড়া বেশ্যার আড্ডায় জড়াও।
বেশ্যা মরলে কেনো তুমি জানাযায় দাও বাঁধা
কেউ প্রতিবাদ করলে ডাকো হিরা, মানিক, সাদা।
গরীবের মেয়ে সুযোগে করো খদ্দের খেলা
জাপটে শেষের পালা বসাও কষাকষির মেলা।
ধনীর মেয়ের অবৈধ মেলামেশায় হয় টিউমার
গরিব মেয়ের কিছু হলে রটনা কত আবার।
বেশ্যা হয়ে জন্মায়নি, করেছো হতে বাধ্য
ভয় দেখাও যত্রতত্র, কেরে নাও মুখের খাদ্য।
দেবর হয়ে মায়ের মতো ভাবির ভাঙ্গো সংসার
বিচার হবে ওই আদালতে পাবেনা'কো ছার।
বেগম পাড়ায় বেশ্যা তৈরি তোমরা যারা করো
দিনের আলোয় মুখোশ পড়ে সুন্দর জীবন গড়ো।
এসব না করে তাদের মুখে অন্ন তুলে দাও
সঠিক পথের আলো দেখিয়ে শান্তি খুজে নাও।
নারীদের সতীর্থের জয়
পথে, ঘাটে অতপেতে থাকে হায়ানার দল
ছোট, বড় মেয়ে দেখলেই দেখায় গায়ের বল।
ছেলোয়ার, কামিজ, ওরনা ধরে টানাটানি
মাটিতে ফেলে যৌবন করে হানাহানি।
সবে মিলে জাপটে, মনে হয় শেষের পালা
উহ, ইস, আহ, উফ ছারেনা তবু জ্বালায় জ্বালা।
ওমা, ওমা চিৎকার
পায়না তবু নিস্তার।
হায়েনার দল জাপটে থাকে, মানেনাকো পাম
উর্তি, উর্তি গান আর সবে ঝরায় দেহের ঘাম।
ওগো ভাই, ওগো চাচা ছারো, ছারো
হায়েনার দল তখন গান ছারে আরো।
আকুতি, বিনতি করে যে বলে
আমি তোমাদেরই সন্তানের মতো
ছারেনা তবু হায়ানার দল যতো।
দেশটা আর দেশ নাই হয়ে গেছে হায়ানার দলের আবাস
বাংলা মায়ের স্বাধীন দেশে ইচ্ছেরা পায়না বসবাস।
পথে ঘাটে ইভটিজিং বেরেই চলছে সোনার দেশে
দেখো ভেবে এসব কার ইশারায় হয় ছদ্মবেশে।
মুখোশ ধারি হায়ানার দলকে আঁটো সাটো করতে
গড়ে তোলো হাতিয়ার, হবেনা কাউকে আর মরতে।
নারি তোমার বোন, তোমার মা দেখো!কেনো এমন হয়
এক্য আর মহব্বতে দেখবে একদিন হবেই হবে
সোনার বাংলায় সোনালী নারিদের সতীর্থের জয়।
অনুধাবন
দশমাস দশদিন গর্ভে ধারণ করে
ভূপৃষ্ঠ হয়ে দুনিয়া দেখলাম
তবে আজও মনে পরে
আমাকে আজান শোনানো হয়নি।
বড় হলাম সদরঘাটের ভিক্টোরিয়া পার্কে
ও মা, বাবাকে দেখতে ইচ্ছে করছে
অথবা তার গায়ের রং কেমন ছিলো
জানতে চাইলে তুমি মারধর করো।
ওই যে সন্ধ্যায় একটা বেটা আসে
উনি কি তাহলে আমার বাবা
কেন তুমি চুপ করে থাকো, বলো না?
উনি চলে যাওয়ার পরপরই তুমি যাও
কোথায় যাও, আমাকে সাথে নিয়ে যাও
কিন্তু নিয়ে যাওনা, কেনো?
এসবের উত্তর মায়ের কাছে পাই না
একদিন চুপিচুপি গেলাম
বেগম পাড়ায় গিয়ে পথ শেষ হলো,
ওই বেটা বেড়িয়ে আসলো মাকে নিতে
মা বললো এই নাগর আজ কিন্তু
সেপ্টির বিষয় আছে, না হলে
চুল্লুর মতো আরেকজন আসবে ভবে,
তারপর ভিতরে আহ, উহ, ইশ
মহাকালের আত্তচিৎকার ধ্বনি,
কত শত নাগরের সাথে আমার মা
এভাবে রাত কাটিয়েছে, তবে কোন নাগরের
শুক্রাণুতে জন্ম আমার তা জানিনা
ভাবতেই আমি আকাশে না পাতালে
কিছুই অনুধাবন করতে পারলাম না।
ইতিহাস
আতঙ্ক আত্মা ঘুরছে ভিক্টোরিয়ায়
ছলকা ভাবুক একটি ছেলের পিছু,
সে হয়তো জানে না বালক কী চায়
জানে হয়তো বা সে ভীতুর ডিম।
আকস্মিক আক্রমনাত্মক ধাওয়ায়
আত্মার স্তন দুটি থরথর করে
কাঁপা দেখে বালক দৌড়ে পালালো
ঘাটে ভরা জাহাজের দোতালায়।
হা নিঃশ্বাস নেওয়ায় সামনে দারিয়ে আছে
ভাবনাময় নাগিন রুপী থলতলে পেটে
চৌকস তাহিরা বেগমের মতো স্বতী।
ডুবন্ত ছাদ ছিলো, তয় ছাদ কই?
চোখ মুছতেই ঘোলাটে দেখতে
এলোপাতাড়ি আত্মারা নিষিদ্ধ পল্লির মতো
উহ, আহ, ইশ ধ্বনিতে বেগবান হচ্ছে।
এই ভাষা বুজতেই
ঘুম ভেঙে গেলো ছলকা বালকের
সে চোখেমুখে জল দিতেই বলে উঠলো
নিষিদ্ধ পল্লি ভেঙে চুরে
নতুন রুপে বাস্তবায়নের
আমি হব স্বপ্নীল ভবের ইতিহাস।
বন্ধুর বউ
মতি এসে হাফ ছাড়ে আয় তাড়াতাড়ি রে
জদু ঠিক চিন্তায়, ধুর কী জানি কী হলো রে!
ভালো আর লাগেনা, বন্ধুু আয় বসে শুনবি
আজেবাজে লাগে সব চুপিসারে গুনবি।
তেল মারা পাম মারা আজ নয়
তাড়াতাড়ি কররে
হয়েছে কী সেটা বল
এসেছে খুব জ্বররে।
মাথা শুধু ঘুরপাক, বন্ধু তোর বউ নিয়ারে
মোটাসোটা সুন্দরী, কেমনে হলো বিয়ারে?
আমার বউ নিয়ে এই কথা, তোর মনে হায়রে
আজেবাজে ইশ! তর বউ হেলেদুলে যায়রে!
নাদুসনুদুস দেখতে জব্বার
খাসসা একটা শোনরে
লজ্জা লাগেনা, আমার বউ
হয়-যে তোর বোনরে।
পাগল ছাগল কোথাকার দিসনা এমন ট্যাগরে
রমনা থেকে কিইনা দিমু তোর বউকে ব্যাগরে,
হাউস কতো বলছে আবার কিইনা দিবে ব্যাগ
আসলে তুই নষ্ট ছেলে, দিলাম তোরে ট্যাগ।
বন্ধুর বউ মানে বন্ধু নয়রে
বলে লোকজনে
আর যাবি না আমার বাড়ি
থাকে যেনো মনে।
হিজিবিজি বলা শেষ কোথাকার বোকারাম
না জেনে বকছিস হয়েছেটা কী? এবার থাম,
মশকরা কর আমায় নিয়ে, বউকে নিয়ে নয়
শুধা এবার জীবন গাঁথা, ভালো হতে হয়।
কোন মুখে কিসের বানি
শুধাও, শুধাও, শুধাও
ইচ্ছে করে তর বউ নিয়ে
হবোই আমি উধাও।
ঝুমকা, বেনী, কানের দুল আরও দেব গয়না
ইশরে! বন্ধুর বউ কেনো বন্ধুর মতো হয় না।
লিপস্টিক
তোমাকে হারানোর পর একটুও ভালো লাগে না
কী যে হলো আমার তা কল্পনার বাইরে—
যে চা স্টলে তুমি আর আমি গল্প করতাম
কেন জানি সেখানেই যেতে ইচ্ছে করে?
মনের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারি না
চলে আসি সেই স্মৃতি বিজরিত চা স্টলে।
মনে হয় কিছু কমতি রয়েছে ভাবতে থাকি
ভাবতেই, হঠাৎ চা স্টলের কর্মচারি চা দেয়
চায়ের কাপটা যেই ঠোঁটে লাগাই
তখন আমার সমস্ত গায়ের লোম খারা হয়,
এমন হচ্ছে কেন আমি কিছুই জানি না।
আবার আমি স্বাভাবিক হয়ে
চায়ের কাপে ঠোঁট লাগাই—
তখন আমার কি মনে হয় জানো?
তোমার ওই লাল টসটসে লিপস্টিক জড়িত
ঠোঁট মনে হয় এক নিমিষেই চুম্বন করলাম।
আহ কত সুখ! আহা কত শান্তি!
যা আর কোন দিনই হবে না, শুধু কল্পনা।
তবে এই লিপস্টিক মাখা ঠোঁটের স্মৃতি
আমি কখনই ভুলতে পারবো না।
কবি পরিচিতি : গাইবান্ধা জেলার অন্তর্গত শ্রীকলা গ্রামে পহেলা জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় থেকেই লেখালেখি করেন। সব বিষয়ে লেখালেখি করলেও ছড়া, কিশোর কবিতা, শিশুতোষ গল্প, অথ্যাৎ শিশুসাহিত্যে বেশি চর্চা করেন।
বাংলাদেশের জাতীয় পত্র-পত্রিকাসহ বিভিন্ন ম্যাগাজিন এবং বাইরের দেশের পত্রিকাতেও লেখালেখি করছেন নিয়মিত। দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রবস্থায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত ৪৩তম জাতীয় বিঙান ও প্রযুক্তি সেমিনারে বিঙান বিষয়ক বক্তৃতায় ২য় স্থান অধিকার করে পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার।
বর্তমানে সরকারি সাত কলেজের কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা, ইতিহাস বিভাগে অধ্যয়নরত। সম্পাদনা করছেন শিশুদের পত্রিকা টমটম।
প্রথম বই পিঁপড়া ও দুই ছানা।
What's Your Reaction?