শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো নীলার

অবশেষে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো শারীরিক প্রতিবন্ধী হাত না থাকায় পা দিয়ে লিখে কামিল (মাস্টার্স সমমান) সম্পন্ন করা নীলা খাতুনের। দুই হাত ছাড়াই পা দিয়ে লিখে কামিল (মাস্টার্স সমমান) পাস করে আলোচনায় আসা সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চরবড়ধুল গ্রামের নীলা খাতুন এবার সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি পেয়েছেন। রোববার (২৬ জুলাই) তাকে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। পরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুযোগ পান তিনি। জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হোসেন মাহমুদ টুকু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জেড এম জাহিদ হাসানের তত্ত্বাবধানে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর আগে কালবেলার ডিজিটাল প্লাটফর্মে ‘দুই পা দিয়ে লিখে মাস্টার্স জয়, নীলার স্বপ্ন এখন প্রাইমারি শিক্ষক হওয়ার’ শিরোনামে এবং কালবেলা অনলাইনে ‘পা দিয়ে লিখেই মাস্টার্স জয় নিলার, স্বপ্ন এখন শিক্ষকতার’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি ব্যাপক সাড়া ফেলে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল কায়েস বলেন, আমি যখন নিলার লেখাপড়ায় এমন সাফল্যের কথা শুন

শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো নীলার

অবশেষে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো শারীরিক প্রতিবন্ধী হাত না থাকায় পা দিয়ে লিখে কামিল (মাস্টার্স সমমান) সম্পন্ন করা নীলা খাতুনের। দুই হাত ছাড়াই পা দিয়ে লিখে কামিল (মাস্টার্স সমমান) পাস করে আলোচনায় আসা সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চরবড়ধুল গ্রামের নীলা খাতুন এবার সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি পেয়েছেন।

রোববার (২৬ জুলাই) তাকে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। পরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুযোগ পান তিনি।

জানা গেছে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হোসেন মাহমুদ টুকু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জেড এম জাহিদ হাসানের তত্ত্বাবধানে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

এর আগে কালবেলার ডিজিটাল প্লাটফর্মে ‘দুই পা দিয়ে লিখে মাস্টার্স জয়, নীলার স্বপ্ন এখন প্রাইমারি শিক্ষক হওয়ার’ শিরোনামে এবং কালবেলা অনলাইনে ‘পা দিয়ে লিখেই মাস্টার্স জয় নিলার, স্বপ্ন এখন শিক্ষকতার’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি ব্যাপক সাড়া ফেলে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল কায়েস বলেন, আমি যখন নিলার লেখাপড়ায় এমন সাফল্যের কথা শুনি ওইদিনই আমি নীলার বাড়িতে যাই। তার মা-বাবার সঙ্গে দেখা করে তার স্বপ্ন পূরণের আশ্বাস দিই। এরপর নীলাকে ঢাকায় নিয়ে এলে আমাদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর উদ্যোগে নীলার চাকরির ব্যবস্থা হয়। 

তিনি আরও বলেন, কামারখন্দ এবং সিরাজগঞ্জে যারা লেখাপড়ায় ভালো, তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী সঠিক জায়গায় কাজের ব্যবস্থা হবে। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত অসহায় রোগীরা ভালো চিকিৎসা পাবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow