শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান যাচাইয়ে নতুন এক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ সরকারের
দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে র্যাংকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিক্ষার পরিবেশ, পরিচালনা ব্যবস্থা ও ফলাফলের মতো নির্দিষ্ট সূচকের ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মান যাচাই করে এ র্যাংকিং নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান তিনি। সভায় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুশাসন, আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে একটি কার্যকর র্যাংকিং পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক মান মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফলের মতো বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষা খাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো মানোন্
দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে র্যাংকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিক্ষার পরিবেশ, পরিচালনা ব্যবস্থা ও ফলাফলের মতো নির্দিষ্ট সূচকের ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মান যাচাই করে এ র্যাংকিং নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান তিনি। সভায় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুশাসন, আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে একটি কার্যকর র্যাংকিং পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক মান মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফলের মতো বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষা খাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো মানোন্নয়নে আরও সচেষ্ট হবে।
মন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ বেতন চালু করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অডিট ব্যবস্থার সূচনা করেন, যা শিক্ষা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি সরকারি দপ্তরগুলোকে মিতব্যয়ী হওয়ারও নির্দেশ দেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সংযমী হওয়ার পাশাপাশি অফিসিয়াল কার্যক্রমে গাড়ি শেয়ারিং এবং এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তাপমাত্রা বজায় রাখার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
What's Your Reaction?