ডাকসু নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। কে হবেন তাদের প্রকৃত প্রতিনিধি এ নিয়েই চলছে জোর আলোচনা। নিরাপদ ক্যাম্পাস, আবাসন সংকট নিরসন, মানসম্মত খাবার, সততা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বদানের ক্ষমতা এসবই শিক্ষার্থীদের প্রধান চাহিদা হিসেবে উঠে এসেছে।
পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম জিহাদ বলেন, বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর প্রথম চাহিদা হলো একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস। যেখানে অনিরাপত্তা বলতে কিছু থাকবে না। ক্যাম্পাস হবে বহিরাগত মুক্ত। রাস্তা পার হওয়ার সময় অন্তত এই কথা চিন্তা করতে হবে না যে কোনো গাড়ি এসে মেরে না দিয়ে যায়। এছাড়াও হলগুলোতে আবাসন সংকট এবং মানসম্মত খাবারের সমস্যায় শিক্ষার্থীরা জর্জরিত। যে প্রার্থী একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনের প্রতিশ্রুতি দেবেন এবং হলগুলোর সার্বিক সমস্যার সমাধানে কাজ করবেন তাকেই ভোট দেবো ইনশা আল্লাহ।
প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী তুহিন খান বলেন, প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে আমার প্রধান অগ্রাধিকার হবে তাদের অতীত কার্যক্রম। বিশেষ করে তিনি শিক্ষার্থীবান্ধব কোনো কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন কি না, সেটিই আগে বিবেচনা করবো। এরপর লক্ষ্য করবো তার নেতৃত্বদানের দক্ষতা, সততা, সাহসিকতা এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগের সক্ষমতা। আমি এমন প্রার্থীকে ভোট দেবো, যিনি ভবিষ্যতে অদৃশ্য অপশক্তির বাধা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করবেন।
ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের শিক্ষার্থী সাইফ জাওয়াদ সামি বলেন, আমি এমন একজন ব্যক্তিকেই ডাকসুতে নেতা হিসেবে চাই, যিনি সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে এরই মধ্যেই প্রমাণ করেছেন যে তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করতে পারেন।
অ্যাকাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী সালমান খান বলেন, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন জমে উঠেছে। এই আমেজ আরও বাড়িয়ে তুলছে প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার। তবে আমি প্রাধান্য দেবো সেই প্রার্থীকে যিনি দক্ষ ও যোগ্য এবং অতীতে তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। তাহলেই ভরসা করা যায় যে তারা ঘোষিত ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবেন।
এফএআর/এমআইএইচএস/এমএস