শিগগিরই ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি
বাণিজ্য সংলাপ জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজিন্টিভ (ইউএসটিআর)-এর দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদীয় কার্যক্রম সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা গণতন্ত্র চর্চার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ উভয় দেশের জন্যই কল্যাণকর হবে। রাষ্ট্রদূত জানান, বাণিজ্য সংলাপ জোরদারের অংশ হিসেবে অফিস অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজিন্টিভ (ইউএসটিআর)-এর দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের নতুন আমদানি নীতি আদেশ সম্পর্কেও জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাণিজ্যমন্ত
বাণিজ্য সংলাপ জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজিন্টিভ (ইউএসটিআর)-এর দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদীয় কার্যক্রম সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা গণতন্ত্র চর্চার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ উভয় দেশের জন্যই কল্যাণকর হবে।
রাষ্ট্রদূত জানান, বাণিজ্য সংলাপ জোরদারের অংশ হিসেবে অফিস অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজিন্টিভ (ইউএসটিআর)-এর দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের নতুন আমদানি নীতি আদেশ সম্পর্কেও জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নতুন আমদানি নীতি আদেশ প্রণয়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহ কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬’-এর খসড়া ব্যবসায়ী মহলের মতামতের জন্য প্রেরণ করা হবে।
বৈঠকে উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও নীতিগত সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ইকোনমিক কাউন্সিলর এরিক গিলান উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?