শিবির প্রকাশ্যে আসুক, তার আগে সমাজ তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করুক

গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তবে তার আগে শিবিরের নেতাকর্মীদের মানবাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে এ আহ্বান জানান সর্ব মিত্র চাকমা। ডাকসুতে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে নির্বাচন করে জয়ী সর্ব মিত্র চাকমা তার ফেসবুকে লেখেন, ছাত্র শিবিরের “গুপ্ত রাজনীতি” করার দরকার কি? এখন তো আওয়ামী লীগ সরকারে নেই? তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত.... গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে শিবির সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসুক , আমার ব্যক্তিগত চাওয়া। ‘তবে , এখানে একটা কিন্তু আছে’ উল্লেখ করে সর্ব মিত্র চাকমা বলেন, সমাজে “শিবিরের কর্মী” নিঃশর্তভাবে হত্যাযোগ্য প্রাণ। শিবিরকে মেরে ফেলা জায়েজ , গত সতেরো বছরে সমাজ ও রাষ্ট্রে এটা প্রতিষ্ঠিত বাক্য। যদিও রাষ্ট্র কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা নেই তাদের উপর। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক এক সভাপতির বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে ডাকসুর

শিবির প্রকাশ্যে আসুক, তার আগে সমাজ তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করুক

গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তবে তার আগে শিবিরের নেতাকর্মীদের মানবাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে এ আহ্বান জানান সর্ব মিত্র চাকমা।

ডাকসুতে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল থেকে নির্বাচন করে জয়ী সর্ব মিত্র চাকমা তার ফেসবুকে লেখেন, ছাত্র শিবিরের “গুপ্ত রাজনীতি” করার দরকার কি? এখন তো আওয়ামী লীগ সরকারে নেই? তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসা উচিত.... গুপ্ত রাজনীতি ছেড়ে শিবির সম্পূর্ণ প্রকাশ্য রাজনীতিতে আসুক , আমার ব্যক্তিগত চাওয়া।

‘তবে , এখানে একটা কিন্তু আছে’ উল্লেখ করে সর্ব মিত্র চাকমা বলেন, সমাজে “শিবিরের কর্মী” নিঃশর্তভাবে হত্যাযোগ্য প্রাণ। শিবিরকে মেরে ফেলা জায়েজ , গত সতেরো বছরে সমাজ ও রাষ্ট্রে এটা প্রতিষ্ঠিত বাক্য। যদিও রাষ্ট্র কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা নেই তাদের উপর।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক এক সভাপতির বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে ডাকসুর এ সদস্য লিখেন, আজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি একটা বক্তব্য দিয়েছেন, “হয় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলব, নয়তো গুপ্ত শিবিরদের হত্যা করব”। কথাটা খুবই স্বাভাবিক , কারণ আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করতে চেয়েছে শিবিরকে। একই বক্তব্য যদি অন্য কোনো সংগঠনকে উদ্দেশ্য করে হতো বিরাট নিন্দার ঝড় বইতো।

শিবির নিজেও হয়তো এটা মেনে নিয়েছে , তারা নিজেরাও বিশ্বাস করে তারা একেকজন হত্যাযোগ্য প্রাণ, মানবাধিকার তাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তা না হলে সামাজিক মাধ্যমে শিবিরের নেতা-কর্মীদের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ দেখতাম বলে উল্লেখ করে সর্ব মিত্র চাকমা।

তিনি লেখেন, বিষপাণে একপাল কুকুরছানা মেরে ফেললে বিষাদ আর অগ্নির ঝড় বয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়, একটা জলজ্যান্ত মানুষ “শিবিরের ছানা” মরলে সমাজের সিভিল সোসাইটি, মানবাধিকার নিয়ে হাঁসফাস করা মানুষগুলো টু শব্দটি পর্যন্ত করবে না।

সবশেষে ডাকসুর এই সদস্য বলেন, শিবির প্রকাশ্যে আসুক, আমি খুব করে চাই। তার আগে সমাজ তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করুক। তাদের “হত্যাযোগ্য প্রাণ” থেকে মুক্তি দিক।

এমএমএআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow