শিবিরের সহিংস হামলার প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্রদলের মিছিল
চট্টগ্রামে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সহিংস হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদল। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ডাস চত্বরে জড়ো হন। সেখান থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। পরে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়। এসময় নেতাকর্মীরা শিবিরবিরোধী নানা স্লোগান দেন। চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ শব্দ লেখা নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি কলেজে একটি দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির যেভাবে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। দেয়াল লিখনের জবাবে তারা পাল্টা লিখন করতে পারত, কিন্তু তারা সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে।’ ‘গত দুই বছর ধরে আমরা বলে আসছি, যেখানে ছাত্রশিবির সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী, সেখানে তারা গোপনে সন্ত্রাসের চর্চা করে। চট্টগ্রামের কয়েকট
চট্টগ্রামে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সহিংস হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ডাস চত্বরে জড়ো হন। সেখান থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। পরে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়। এসময় নেতাকর্মীরা শিবিরবিরোধী নানা স্লোগান দেন।
চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ শব্দ লেখা নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি কলেজে একটি দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির যেভাবে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। দেয়াল লিখনের জবাবে তারা পাল্টা লিখন করতে পারত, কিন্তু তারা সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে।’
‘গত দুই বছর ধরে আমরা বলে আসছি, যেখানে ছাত্রশিবির সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী, সেখানে তারা গোপনে সন্ত্রাসের চর্চা করে। চট্টগ্রামের কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তারা দখলদারিত্ব ও ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে,’ যোগ করেন তিনি।
নাছির দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত ছাত্রশিবিরের বেশিরভাগ সহিংস ঘটনার কেন্দ্র চট্টগ্রাম। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের হামলার পুনরাবৃত্তি হলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের স্বাভাবিকভাবে চলতে দেবে না। প্রতিটি ক্যাম্পাসে তাদের প্রতিহত করা হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রশিবির দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগের সঙ্গে গোপন সমঝোতায় রাজনীতি করেছে। অতীতে সংঘটিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায় তাদেরও নিতে হবে।
ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস দাবি করেন, পাঁচ আগস্ট পরবর্তী সময়ে একের পর এক উশৃঙ্খল কিছু ছাত্র, যাদের পরবর্তীতে পরিচয় জানা গেছে যে তারা একটি গুপ্ত সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তারা মব কালচারকে উসকে সারা বাংলাদেশের ক্যাম্পাসগুলোতে বিভ্রান্তকার পরিবেশ তৈরি করেছিল।
তিনি বলেন, ‘ইসলামী ছাত্রশিবিরের দোসররা সবসময় যেকোনো বিষয়ে নেতিবাচকতা তৈরি করে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে চায়। কিন্তু তাদের আমি বলতে চাই, এটা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার না, এটা বাংলাদেশের একত্রিশ দফা কর্মসূচি প্রণয়নকারী দেশনায়ক তারেক রহমানের সরকার। দেশনেতা তারেক রহমান আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক। বাংলাদেশকে একটি আধুনিক সাম্যের বাংলাদেশ হিসেবে নির্মাণ করতে গিয়ে আমরা যদি কোনো বাধার সম্মুখীন হই, যদি কোনো ষড়যন্ত্র দেখি, তাহলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মুখে আঙ্গুল দিয়ে বসে থাকবে না।’
এফএআর/একিউএফ
What's Your Reaction?