শিলাবৃষ্টিতে বোরো নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক, দুর্বল বাঁধ নিয়ে শঙ্কা
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ঝড়ের সঙ্গে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হওয়ায় হাওরের বোরো ধান নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। টানা কয়েক দিনের বিরূপ আবহাওয়ায় হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হয়। এর আগে গত দুই রাত ও দিনের বিভিন্ন সময়ে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে হাওরের ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। উপজেলার কয়েকটি হাওর ঘুরে দেখা যায়, ধান এখন থোড় ও শীষ বের হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে। ঠিক এ সময় শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির কারণে ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। মাটিয়ার হাওর পাড়ের কৃষক আব্দুল করিম বলেন, তিন দিন আগেও ফসল ভালো ফলনের জন্য বৃষ্টির খুবই প্রয়োজন ছিল। প্রথম স্বাভাবিক বৃষ্টি হওয়ায় শস্তিতে ছিলাম। কিন্তু গত দুই দিনের আবহাওয়া ও আজকের শিলাবৃষ্টি দেখে খুব ভয় লাগছে। ধান এখন ভালো অবস্থায় আছে, কিন্তু যদি পাহাড়ি ঢল আসে বা শিলা বেশি পড়ে তাহলে ধান নষ্ট হয়ে যাবে। আরেক কৃষক মো. রহিম উদ্দিন বলেন, আমরা হাওরের মানুষ, একটাই ফসল। এই ধান যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে সারা বছরের কষ্ট বৃথা হয়ে যাবে। হা
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ঝড়ের সঙ্গে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হওয়ায় হাওরের বোরো ধান নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। টানা কয়েক দিনের বিরূপ আবহাওয়ায় হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হয়। এর আগে গত দুই রাত ও দিনের বিভিন্ন সময়ে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে হাওরের ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
উপজেলার কয়েকটি হাওর ঘুরে দেখা যায়, ধান এখন থোড় ও শীষ বের হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে। ঠিক এ সময় শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির কারণে ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
মাটিয়ার হাওর পাড়ের কৃষক আব্দুল করিম বলেন, তিন দিন আগেও ফসল ভালো ফলনের জন্য বৃষ্টির খুবই প্রয়োজন ছিল। প্রথম স্বাভাবিক বৃষ্টি হওয়ায় শস্তিতে ছিলাম। কিন্তু গত দুই দিনের আবহাওয়া ও আজকের শিলাবৃষ্টি দেখে খুব ভয় লাগছে। ধান এখন ভালো অবস্থায় আছে, কিন্তু যদি পাহাড়ি ঢল আসে বা শিলা বেশি পড়ে তাহলে ধান নষ্ট হয়ে যাবে।
আরেক কৃষক মো. রহিম উদ্দিন বলেন, আমরা হাওরের মানুষ, একটাই ফসল। এই ধান যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে সারা বছরের কষ্ট বৃথা হয়ে যাবে।
হাওর বাঁচাও আন্দোলন তাহিরপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক তুজাম্মিল হক নাছরুম বলেন, অনেক জায়গায় ফসল রক্ষা বাঁধ এখনও দুর্বল রয়েছে। পাহাড়ি ঢল এলে এসব বাঁধ ভেঙে ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক মিলন বলেন, এখনো অনেক স্থানে বাঁধ মজবুত করা হয়নি। গত কয়েক দিনের বৃষ্টি দেখে আমরা উদ্বিগ্ন। যদি পাহাড়ি ঢল নেমে আসে তাহলে দুর্বল বাঁধ ভেঙে হাওরের বোরো ধান তলিয়ে যেতে পারে। তাই দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো সংস্কার ও নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক বলেন, উপজেলার হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধগুলো নিয়মিত পর্যেবক্ষণ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলোতে অতিরিক্ত নজরদারি রয়েছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?