শিল্পকলায় বটতলার বিশেষ আয়োজন
নাট্যদল বটতলা শিশুদের জন্য আয়োজন করেছে এক বর্ণিল সন্ধ্যার। রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আগামীকাল (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বটতলার শিশু বিভাগের শিল্পীদের অভিনীত ‘ফাংসাং’ এবং ‘গালিভারস ট্র্যাভেলস’ নামে দুটি নাটকের মঞ্চায়ন হবে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস এবং ২৭ মার্চ বিশ্ব নাট্য দিবস উপলক্ষে বটতলা এ আয়োজন করেছে। এ উপলক্ষে নাটক মঞ্চায়নের পাশাপাশি থাকছে পাপেট শো। পরিবেশন করবে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার। বিশেষ এ আয়োজন শুরু হবে বেহালা বাদন ও দেশাত্মবোধক গানের মধ্য দিয়ে। বেহালায় সুর তুলবে সুর নিবেদন সংগীত একাডেমি ও গান পরিবেশন করবেন সাভারের দুই কৃতি শিশুশিল্পী মুনত্বাহা কামরান দৃবেলা ও কাজী সোহানা ইসলাম ছোঁয়া।
এক বিজ্ঞপ্তিতে দলটি জানায়, শিশুদের সুকুমারবৃত্তির বিকাশে প্রতি বটতলা সতত তৎপর। বটতলার শিশু বিভাগ ক্রমশ বিকশিত হচ্ছে ‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ শীর্ষক কর্মশালার বিবিধ কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। ‘ফাংসাং’ এবং ‘গালিভারস ট্র্যাভেলস’ মূলত এসব কর্মশালার শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক শিখন কার্যক্রমের ফল। একটি শিশুবান্ধব নগরীর স্বপ্ন নিয়ে আমরা আমাদের শিশুদের উদযাপনের প্
নাট্যদল বটতলা শিশুদের জন্য আয়োজন করেছে এক বর্ণিল সন্ধ্যার। রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আগামীকাল (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বটতলার শিশু বিভাগের শিল্পীদের অভিনীত ‘ফাংসাং’ এবং ‘গালিভারস ট্র্যাভেলস’ নামে দুটি নাটকের মঞ্চায়ন হবে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস এবং ২৭ মার্চ বিশ্ব নাট্য দিবস উপলক্ষে বটতলা এ আয়োজন করেছে। এ উপলক্ষে নাটক মঞ্চায়নের পাশাপাশি থাকছে পাপেট শো। পরিবেশন করবে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার। বিশেষ এ আয়োজন শুরু হবে বেহালা বাদন ও দেশাত্মবোধক গানের মধ্য দিয়ে। বেহালায় সুর তুলবে সুর নিবেদন সংগীত একাডেমি ও গান পরিবেশন করবেন সাভারের দুই কৃতি শিশুশিল্পী মুনত্বাহা কামরান দৃবেলা ও কাজী সোহানা ইসলাম ছোঁয়া।
এক বিজ্ঞপ্তিতে দলটি জানায়, শিশুদের সুকুমারবৃত্তির বিকাশে প্রতি বটতলা সতত তৎপর। বটতলার শিশু বিভাগ ক্রমশ বিকশিত হচ্ছে ‘অভিনয়ে হাতেখড়ি’ শীর্ষক কর্মশালার বিবিধ কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। ‘ফাংসাং’ এবং ‘গালিভারস ট্র্যাভেলস’ মূলত এসব কর্মশালার শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক শিখন কার্যক্রমের ফল। একটি শিশুবান্ধব নগরীর স্বপ্ন নিয়ে আমরা আমাদের শিশুদের উদযাপনের প্রহর সাজিয়ে দিতে চাই। তাই , মঞ্চে শিশুদের আপাত অপটু পদচারণা, হৈহুল্লোড় কিংবা আনন্দ আয়োজনে জুড়ে নিতে চাই সব বয়সীর সমমনা সুহৃদ সংগঠন, সংস্কৃতিকর্মীদের। বিশ্ব নাট্যদিবসে শিশুদের প্রতি এই অকুণ্ঠ সমর্থন হোক আগামীর কোনো নন্দিত নাট্য অভিনেতার প্রতি আমাদের অলক্ষ্য বিনিয়োগ। আর স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার সুরটিও মিলে যাক একই রেখায়!