শিল্পী সমিতির ভোটে কারচুপির আশঙ্কা, হুঁশিয়ারি দিলেন রিনা খান

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের প্রচারণা, সমর্থকদের আনাগোনা এবং ভোটের নানা হিসাব-নিকাশে জমে উঠেছে চলচ্চিত্রপাড়া। শিল্পী সমিতির নির্বাচন শুধু শিল্পীদের নেতৃত্ব নির্ধারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং এটি চলচ্চিত্র অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত আয়োজন হিসেবে পরিচিত। প্রতিবারের মতো এবারও নির্বাচনকে ঘিরে চলছে নানা আলোচনা, জল্পনা-কল্পনা এবং প্রতিশ্রুতির লড়াই। এবারের নির্বাচনে মুখোমুখি হয়েছে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল। একটি প্যানেলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী। অপরদিকে সভাপতি পদে রয়েছেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রুমানা ইসলাম মুক্তি। এছাড়া কার্যনির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও অংশ নিয়েছেন একাধিক শিল্পী। সব প্রক্রিয়া শেষে ৩ জুলাই ভোটগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে আগামী দুই বছরের নতুন নির্বাহী কমিটি। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই ভোটার শিল্পীদের কাছে নিজেদের পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। পাশাপাশি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচ

শিল্পী সমিতির ভোটে কারচুপির আশঙ্কা, হুঁশিয়ারি দিলেন রিনা খান

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের প্রচারণা, সমর্থকদের আনাগোনা এবং ভোটের নানা হিসাব-নিকাশে জমে উঠেছে চলচ্চিত্রপাড়া।

শিল্পী সমিতির নির্বাচন শুধু শিল্পীদের নেতৃত্ব নির্ধারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং এটি চলচ্চিত্র অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত আয়োজন হিসেবে পরিচিত। প্রতিবারের মতো এবারও নির্বাচনকে ঘিরে চলছে নানা আলোচনা, জল্পনা-কল্পনা এবং প্রতিশ্রুতির লড়াই।

এবারের নির্বাচনে মুখোমুখি হয়েছে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল। একটি প্যানেলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী। অপরদিকে সভাপতি পদে রয়েছেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রুমানা ইসলাম মুক্তি।

এছাড়া কার্যনির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও অংশ নিয়েছেন একাধিক শিল্পী। সব প্রক্রিয়া শেষে ৩ জুলাই ভোটগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচিত হবে আগামী দুই বছরের নতুন নির্বাহী কমিটি।

নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই ভোটার শিল্পীদের কাছে নিজেদের পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। পাশাপাশি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে আরমান-মুক্তি প্যানেল থেকে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রনি খান বলেন, ‘আমি বলব না যে কারচুপির সম্ভাবনা নেই। পৃথিবীর প্রায় সব নির্বাচনেই কারচুপির আশঙ্কা থাকে। তবে আমরা কোনো ধরনের কারচুপি হতে দেবো না। যদি কেউ এমন চেষ্টা করে, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করব। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন, আমরা সেই ব্যবস্থা নেবো।’

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনায় সংশ্লিষ্টদেরও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এফডিসিতে এখন নির্বাচনী আমেজই সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়। কে হবেন আগামী দুই বছরের জন্য শিল্পী সমিতির নেতৃত্ব সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে আগামী ৩ জুলাই, ভোটের ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে।

 

এমআই/এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow