শিশু ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর আটক
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ১৩ বছরের এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে উপজেলার লালোর ইউনিয়নের আতাইকুলা গ্রামে। স্বজনদের অভিযোগ, ভুক্তভোগী ঘরে একা ছিল। এ সুযোগে পার্শ্ববর্তী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ওই কিশোর ঘটনাটি ঘটায়। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে আতাইকুলা গ্রামের ওই বাড়িতে ভুক্তভোগী (৫) একা অবস্থান করছিল। পরিবারের সদস্যরা বাইরে ছিলেন। এ সুযোগে ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ওই কিশোর ভুক্তভোগীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ভুক্তভোগীর ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। তারা ভুক্তভোগীকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষ অবস্থায় দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশুটি নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এদিকে, ধর্ষণের ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ওই কিশোরকে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই কিশোর বিভিন্ন সময় তাদের এলাকায় ঘোরাঘুরি করতো। নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম কালবে
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ১৩ বছরের এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে উপজেলার লালোর ইউনিয়নের আতাইকুলা গ্রামে।
স্বজনদের অভিযোগ, ভুক্তভোগী ঘরে একা ছিল। এ সুযোগে পার্শ্ববর্তী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ওই কিশোর ঘটনাটি ঘটায়।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে আতাইকুলা গ্রামের ওই বাড়িতে ভুক্তভোগী (৫) একা অবস্থান করছিল। পরিবারের সদস্যরা বাইরে ছিলেন। এ সুযোগে ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ওই কিশোর ভুক্তভোগীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে।
এ সময় ভুক্তভোগীর ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। তারা ভুক্তভোগীকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষ অবস্থায় দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশুটি নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
এদিকে, ধর্ষণের ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ওই কিশোরকে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই কিশোর বিভিন্ন সময় তাদের এলাকায় ঘোরাঘুরি করতো।
নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম কালবেলাকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি জানার পরপরই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। ওই কিশোর পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। সে কেন ওই এলাকায় গিয়েছিল, সেটি জানার চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ ছাড়া চলতি আইনি প্রক্রিয়া চলমান বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
What's Your Reaction?