শিশু নন্দিনী হত্যা, পলাতক আসামি মমতা গ্রেপ্তার

লালমনিরহাটের আদিতমারীর ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে শিশু নন্দিনী রানী হত্যা মামলার পলাতক আসামি মমতা রানীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ জুন) রাত ১১টার দিকে লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের কালীরপাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মমতা রানী ফলিমারী গ্রামের রনজিত কুমারের স্ত্রী। এর আগে একই মামলায় তার স্বামী রনজিত কুমার এবং ছেলে বিধান চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, গত ১৬ জুন সকালে ফলিমারী গ্রামের একটি ভুট্টাখেত থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু নন্দিনী রানীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই মমতা রানী আত্মগোপনে ছিলেন। ওই রাতেই নন্দিনীর বাবা নলনী মোহন বর্মণ আদিতমারী থানায় মমতা, তার স্বামী ও ছেলেকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। আদিতমারী থানার ওসি নাজমুস সাকিব সজীব বলেন, আত্মগোপনে থাকার সময় মমতা রানী একাধিকবার অবস্থান পরিবর্তন করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও বলেন, প্রধান আসামি বিধান চন্দ্র আদালতে শিশু নন্দিনীকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং

শিশু নন্দিনী হত্যা, পলাতক আসামি মমতা গ্রেপ্তার

লালমনিরহাটের আদিতমারীর ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে শিশু নন্দিনী রানী হত্যা মামলার পলাতক আসামি মমতা রানীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৯ জুন) রাত ১১টার দিকে লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের কালীরপাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মমতা রানী ফলিমারী গ্রামের রনজিত কুমারের স্ত্রী। এর আগে একই মামলায় তার স্বামী রনজিত কুমার এবং ছেলে বিধান চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ১৬ জুন সকালে ফলিমারী গ্রামের একটি ভুট্টাখেত থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু নন্দিনী রানীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই মমতা রানী আত্মগোপনে ছিলেন। ওই রাতেই নন্দিনীর বাবা নলনী মোহন বর্মণ আদিতমারী থানায় মমতা, তার স্বামী ও ছেলেকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

আদিতমারী থানার ওসি নাজমুস সাকিব সজীব বলেন, আত্মগোপনে থাকার সময় মমতা রানী একাধিকবার অবস্থান পরিবর্তন করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রধান আসামি বিধান চন্দ্র আদালতে শিশু নন্দিনীকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুতই আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে।

নন্দিনী ১৫ জুন বিকেলে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে স্থানীয় একটি ব্র্যাক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow