শিশুকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া সেই মা পুলিশ হেফাজতে

ঝালকাঠির নলছিটিতে পাঁচ বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেওয়া সেই নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর নাম লাকি আক্তার। তিনি নলছিটি শহরের আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের সাবেক স্ত্রী। ঘটনার সময় তিনি তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে ফেরিঘাট এলাকা থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত নদীতে নেমে তাদের উদ্ধার করেন। পরে মা ও শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। লাকি আক্তার বলেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহ চলছিল। কিছুদিন আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর মেয়েকে তার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এসব কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং হতাশা থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেন। অন্যদিকে সাবেক স্বামী সাইদুল ইসলাম বলেন, তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। কন্যাসন্তানকে নিয়ে নদীতে ঝা

শিশুকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া সেই মা পুলিশ হেফাজতে
ঝালকাঠির নলছিটিতে পাঁচ বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেওয়া সেই নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর নাম লাকি আক্তার। তিনি নলছিটি শহরের আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের সাবেক স্ত্রী। ঘটনার সময় তিনি তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে ফেরিঘাট এলাকা থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত নদীতে নেমে তাদের উদ্ধার করেন। পরে মা ও শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। লাকি আক্তার বলেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহ চলছিল। কিছুদিন আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর মেয়েকে তার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এসব কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং হতাশা থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেন। অন্যদিকে সাবেক স্বামী সাইদুল ইসলাম বলেন, তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। কন্যাসন্তানকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় তিনি নলছিটি থানায় অভিযোগ করেছেন। নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এবং শিশুকেও গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow