শিশুর দুধ খাওয়া ফিডারে লাথি, ঘটনা গড়াল আদালত-থানায়
রংপুর পীরগাছায় এক শিশুর দুধ খাওয়ার ফিডারে আরেক শিশুর লাথি মারার ঘটনা শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে আদালত ও থানায়। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক প্রতিবন্ধী পরিবারের ওপর কয়েক দফা হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে চারজন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব নগরজিৎপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুই পা-বিহীন প্রতিবন্ধী শফিকুল ইসলামের ছোট ভাতিজার দুধ খাওয়ার ফিডারে প্রতিবেশী এক শিশু লাথি মারার চেষ্টা করে। ফিডারে লাথি মারায় নিষেধ করলে প্রতিবেশী আব্দুল খালেক ও তার ছেলে সেনা সদস্য সোহেল মিয়া শফিকুল ইসলামের পরিবারের ওপর হামলা চালায়। হামলায় শফিকুল ইসলাম (৪৫), তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম (৩৭), মা মেনেকা বেগম (৬০), ছোট ভাই এনামুল হক (৩২) ও তার স্ত্রী রানী বেগম (৩০) আহত হন।
শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনায় আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমি শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার পরেও তারা আমাদের ছাড় দেয়নি। আমি আদালতের কাছে সঠিক বিচার চাই।
আহত মেনেকা বেগম বলেন, হামলার পর তারা আমাদের চলাচলের রাস্তায়
রংপুর পীরগাছায় এক শিশুর দুধ খাওয়ার ফিডারে আরেক শিশুর লাথি মারার ঘটনা শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে আদালত ও থানায়। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক প্রতিবন্ধী পরিবারের ওপর কয়েক দফা হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে চারজন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব নগরজিৎপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুই পা-বিহীন প্রতিবন্ধী শফিকুল ইসলামের ছোট ভাতিজার দুধ খাওয়ার ফিডারে প্রতিবেশী এক শিশু লাথি মারার চেষ্টা করে। ফিডারে লাথি মারায় নিষেধ করলে প্রতিবেশী আব্দুল খালেক ও তার ছেলে সেনা সদস্য সোহেল মিয়া শফিকুল ইসলামের পরিবারের ওপর হামলা চালায়। হামলায় শফিকুল ইসলাম (৪৫), তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম (৩৭), মা মেনেকা বেগম (৬০), ছোট ভাই এনামুল হক (৩২) ও তার স্ত্রী রানী বেগম (৩০) আহত হন।
শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনায় আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমি শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার পরেও তারা আমাদের ছাড় দেয়নি। আমি আদালতের কাছে সঠিক বিচার চাই।
আহত মেনেকা বেগম বলেন, হামলার পর তারা আমাদের চলাচলের রাস্তায় বাধা সৃষ্টি করছে এবং হুমকি দিচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল বলেন, প্রতিবন্ধী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে সেনাসদস্যের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।