শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু, সন্দেহের তীর মা ও সৎ বাবার দিকে
সাভারের আশুলিয়ায় ইসরাফিল ইসলাম নামের সাড়ে তিন বছরের এক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শিশুটির ওপর তার মা ও সৎ বাবা মিলে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন বলে দাবি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার ‘অন্ধ কলোনি’র একটি ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু ইসরাফিল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রিপন মিয়ার ছেলে। সে তার মা লাবনী বেগম এবং সৎ বাবা ছাব্বিরের সঙ্গে ওই বাসায় থাকত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে শিশুটিকে মারধর করা হয়। বুধবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মা ও সৎ বাবা তাকে দ্রুত আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন এবং বিষয়টি স্থানীয় আশুলিয়া থানায় জানান। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহটি নিজেদের হেফাজতে নেয়। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম কালবেলাকে জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার কর
সাভারের আশুলিয়ায় ইসরাফিল ইসলাম নামের সাড়ে তিন বছরের এক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শিশুটির ওপর তার মা ও সৎ বাবা মিলে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন বলে দাবি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) সকালে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার ‘অন্ধ কলোনি’র একটি ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু ইসরাফিল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রিপন মিয়ার ছেলে। সে তার মা লাবনী বেগম এবং সৎ বাবা ছাব্বিরের সঙ্গে ওই বাসায় থাকত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে শিশুটিকে মারধর করা হয়। বুধবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মা ও সৎ বাবা তাকে দ্রুত আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন এবং বিষয়টি স্থানীয় আশুলিয়া থানায় জানান। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহটি নিজেদের হেফাজতে নেয়।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম কালবেলাকে জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্তের অংশ হিসেবে শিশুটির মা ও সৎ মাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?