যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্কের বাইরে কিছু বাণিজ্য বাধা অপসারণের মাধ্যমে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
শনিবার (৫ এপ্রিল) রাতে জরুরি বৈঠক শেষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার বাইরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাণিজ্য বাধা অপসারণের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে ডাকা জরুরি বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ইমেজ ও তার উচ্চ প্রতিনিধির মাধ্যমে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে বাণিজ্য বাধা অপসারিত হবে।
আরও পড়ুন
- মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে ভয় পাওয়া ও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই
- শুল্ক নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
- বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের
আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে এনে তুলনামূলকভাবে প্রতিযোগী দেশগুলো থেকে ভালো অবস্থানে যাওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হবে বলেও জানান তিনি।
শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি। এখানে সম্ভাবনাও দেখছি এবং সম্ভাবনার বিপরীতে যে বিষয়গুলো রয়েছে সেগুলোকে সম্যকভাবে উপলব্ধি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে এ বাণিজ্য ঘাটতি কমানো যেতে পারে। সয়াবিন, গার্মেন্টস ব্যবসার কাঁচামাল তুলা (বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহৎ তুলা আমদানি কারক দেশ), মেটাল স্ক্রাব, শিল্প পণ্য, যন্ত্রাংশ, জ্বালানির মতো পণ্যসহ বেশ কিছু পণ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির প্রয়োজন হয়।
আরও পড়ুন
- ট্রাম্পের ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর, বাংলাদেশের হাতে সময় আছে কতদিন?
- ট্রাম্পের শুল্কারোপ: বাণিজ্যযুদ্ধ এড়াতে কী ভাবছে দেশগুলো?
এসব পণ্যের যেগুলো অর্থনীতির জন্য সামষ্টিকভাবে ভালো সেগুলোকে সমন্বয় করে আমদানি করা হবে বলে জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা।
এমইউ/এমকেআর