শেখ পরিবারের সদস্য সেজে ২১ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতি

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে মধ্যপ্রাচ্যের রাজপরিবারের সদস্য সেজে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ ডলারের প্রতারণার অভিযোগে দুই ভাইকে দীর্ঘ কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ভাই জুবায়ের আল জুবায়ের ও মুজ্জাম্মিল আল জুবায়েরকে যথাক্রমে ২৪ বছর ও ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। খবর নিউইয়র্ক পোস্টের।  মামলার রায়ে মার্কিন জেলা বিচারক ডোনাল্ড নুজেন্ট বলেন, ‘তোমরা বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছ, মানুষকে প্রতারিত করেছ এবং ইস্ট ক্লিভল্যান্ড শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছ।’ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা বিলাসবহুল জীবনযাপনের ভান তৈরি করতে রোলস-রয়েসে ঘোরাফেরা এবং ব্যক্তিগত বিমানে ভ্রমণের মতো কৌশল ব্যবহার করতেন। এই প্রতারণা চক্রে সহায়তার অভিযোগে ইস্ট ক্লিভল্যান্ডের মেয়রের সাবেক প্রধান সহকারী মাইকেল স্মেডলিকেও ৮ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে তারা ভুয়া পরিচয় ও প্রভাবশালী সংযোগের গল্প তৈরি করে প্রতারণা চালাতেন। এর মধ্যে একজন নিজেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক রাজকুমারীর স্বামী বলে দাবি করতেন, আরেকজন নিজেকে হেজ ফান্ড ম্যানেজার হিসেবে

শেখ পরিবারের সদস্য সেজে ২১ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতি
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে মধ্যপ্রাচ্যের রাজপরিবারের সদস্য সেজে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ ডলারের প্রতারণার অভিযোগে দুই ভাইকে দীর্ঘ কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ভাই জুবায়ের আল জুবায়ের ও মুজ্জাম্মিল আল জুবায়েরকে যথাক্রমে ২৪ বছর ও ২৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। খবর নিউইয়র্ক পোস্টের।  মামলার রায়ে মার্কিন জেলা বিচারক ডোনাল্ড নুজেন্ট বলেন, ‘তোমরা বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছ, মানুষকে প্রতারিত করেছ এবং ইস্ট ক্লিভল্যান্ড শহরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছ।’ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা বিলাসবহুল জীবনযাপনের ভান তৈরি করতে রোলস-রয়েসে ঘোরাফেরা এবং ব্যক্তিগত বিমানে ভ্রমণের মতো কৌশল ব্যবহার করতেন। এই প্রতারণা চক্রে সহায়তার অভিযোগে ইস্ট ক্লিভল্যান্ডের মেয়রের সাবেক প্রধান সহকারী মাইকেল স্মেডলিকেও ৮ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে তারা ভুয়া পরিচয় ও প্রভাবশালী সংযোগের গল্প তৈরি করে প্রতারণা চালাতেন। এর মধ্যে একজন নিজেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক রাজকুমারীর স্বামী বলে দাবি করতেন, আরেকজন নিজেকে হেজ ফান্ড ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দিতেন। তাদের অন্যান্য অপরাধের মধ্যে রয়েছে, তারা এক চীনা বিনিয়োগকারীকে টার্গেট করেন। মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার করে তাকে  একটি শিল্প কমপ্লেক্সের মালিকানা এবং সেখানে ক্রিপ্টো ব্যবসা শুরু করতে সাহায্যের আশ্বাস দেন। ওই বিনিয়োগকারী সে ফাঁদে পড়ে ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার খোয়ান। এছাড়া জুবায়েরের সাবেক আমিরাতি প্রেমিকার কাছ থেকেও ৭ লাখ ৩৭ হাজার ডলার আত্মসাৎ করেন তারা।  আদালত সূত্র আরও জানায়, দুই সপ্তাহব্যাপী বিচার শেষে ফেডারেল জুরির রায়ে তিনজনকেই ফেডারেল তহবিল প্রাপ্ত কর্মসূচিতে ঘুষ প্রদান, অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের আইন লঙ্ঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এছাড়াও ভাইদেরকে একাধিকবার ওয়্যার ফ্রড, অর্থ পাচার এবং সরকারি তহবিল চুরির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সে সঙ্গে জুবায়েরকে ইচ্ছাকৃতভাবে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল না করার দায়ে পৃথকভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের কারাদণ্ড দেন আদালত। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow