শেরপুরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, অপমৃত্যু মামলা
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় স্বামীর শয়নকক্ষ থেকে নিলুফা বেগম (২৭) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এর আগে গত সোমবার দিবাগত রাতে রাতের কোনো এক সময়ে উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের দড়িমুকুন্দ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে এই ঘটনায় শেরপুর থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত নিলুফা বেগম দড়িমুকুন্দ গ্রামের ট্রাক হেল্পার এখলাছ হোসেনের স্ত্রী। গতকাল সোমবার রাত ৯টা থেকে ১১টার মধ্যকার যেকোনো সময় নিজ বসতবাড়ির টিনের ঘরের ভেতরে কাঠের তীরের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে তিন দিন আগে নিলুফার স্বামী এখলাছ হোসেন বাড়ির বাইরে যান। তিনি বাড়িতে ছিলেন না খবর পেয়ে সকালে বাড়িতে আসে। শেরপুর থানা পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত জয়নুল আবেদীন জানায়, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছিল ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় স্বামীর শয়নকক্ষ থেকে নিলুফা বেগম (২৭) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
এর আগে গত সোমবার দিবাগত রাতে রাতের কোনো এক সময়ে উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের দড়িমুকুন্দ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে এই ঘটনায় শেরপুর থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত নিলুফা বেগম দড়িমুকুন্দ গ্রামের ট্রাক হেল্পার এখলাছ হোসেনের স্ত্রী।
গতকাল সোমবার রাত ৯টা থেকে ১১টার মধ্যকার যেকোনো সময় নিজ বসতবাড়ির টিনের ঘরের ভেতরে কাঠের তীরের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে তিন দিন আগে নিলুফার স্বামী এখলাছ হোসেন বাড়ির বাইরে যান। তিনি বাড়িতে ছিলেন না খবর পেয়ে সকালে বাড়িতে আসে।
শেরপুর থানা পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত জয়নুল আবেদীন জানায়, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছিল ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা (মামলা নং-২৬) রুজু করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
What's Your Reaction?