শেরপুরে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
শেরপুর জেলা শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে শাহিনুল ইসলাম (৪০) নামে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শাহিনুল ইসলাম শেরপুর সদর থানার এ এস আই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, শাহিনুল ইসলাম প্রায় ৫ মাস ধরে এ থানায় কর্মরত আছেন। বুধবার নাইট ডিউটি শেষ করে বাগিতে যায়। পরে তার স্ত্রীর তাকে বাসায় রেখে গ্রামের বাড়ি জামালপুরে যায়। পরে শাহিনুলকে ফোনে না পেয়ে একপর্যায়ে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়ি থেকে বাসায় চলে আসেন। কিন্তু বাসার দরজায় ধাক্কাধাক্কি করার পর সাড়াশব্দ না পেয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে তার শ্যালক দেখেন গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছিলেন শাহিনুল। খবর পেয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, বিয়ের পর থেকে শাহিনুল কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মো. নাঈম ইসলাম/এনএইচআর
শেরপুর জেলা শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে শাহিনুল ইসলাম (৪০) নামে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শাহিনুল ইসলাম শেরপুর সদর থানার এ এস আই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, শাহিনুল ইসলাম প্রায় ৫ মাস ধরে এ থানায় কর্মরত আছেন। বুধবার নাইট ডিউটি শেষ করে বাগিতে যায়। পরে তার স্ত্রীর তাকে বাসায় রেখে গ্রামের বাড়ি জামালপুরে যায়। পরে শাহিনুলকে ফোনে না পেয়ে একপর্যায়ে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়ি থেকে বাসায় চলে আসেন। কিন্তু বাসার দরজায় ধাক্কাধাক্কি করার পর সাড়াশব্দ না পেয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে তার শ্যালক দেখেন গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছিলেন শাহিনুল। খবর পেয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, বিয়ের পর থেকে শাহিনুল কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মো. নাঈম ইসলাম/এনএইচআর
What's Your Reaction?