শেষ পর্যন্ত ভারতে এক ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দেবে আইসিসি?
গতকাল (শনিবার) হয়নি। আজ রোববার আইসিসি–বিসিবির যোগাযোগ হতে পারে। কথা–বার্তা, আলোচনা, পর্যালোচনা— সবই সম্ভব। আলোচনা থেকে কোনো সিদ্ধান্তও বেরিয়ে আসতে পারে। এমন ভাবনায় বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেট অনুরাগী অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। তবে তাদের হয়তো আরও এক–দু’দিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। কারণ আজ রোববার আইসিসি অফিসে সাপ্তাহিক ছুটি। আইসিসির সদর দপ্তর থেকে বিসিবির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই কম ছিল। সন্ধ্যা নামার পরও বোর্ডে যোগাযোগ করে কোনো তথ্য মেলেনি। পরিচালকদের সবার একটাই কথা— আমরা কিছু জানি না, এখন পর্যন্ত কোনো আপডেট নেই। এখন প্রশ্ন হলো, কী কী আপডেট থাকতে পারে? আইসিসি বিসিবিকে কী কী বলতে পারে? ভারতের মাটিতে টিম বাংলাদেশের নিরাপত্তা ‘কনসার্ন’ আছে— এ তথ্য পরপর দুইবার আইসিসিকে জানিয়েছে বিসিবি। তারই প্রেক্ষিতে আইসিসি জানতে চেয়েছে, ‘কনসার্নটা কেমন, কোথায়, কী ধরনের? পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পাঠাতে বলা হয়েছে।’ বিসিবি তাও পাঠিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বিসিবির পাঠানো ব্যাখ্যায় আইসিসি কতটা সন্তুষ্ট হয়। ভারতের মাটিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেখে আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেয়? বিসিবিকে কো
গতকাল (শনিবার) হয়নি। আজ রোববার আইসিসি–বিসিবির যোগাযোগ হতে পারে। কথা–বার্তা, আলোচনা, পর্যালোচনা— সবই সম্ভব। আলোচনা থেকে কোনো সিদ্ধান্তও বেরিয়ে আসতে পারে।
এমন ভাবনায় বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেট অনুরাগী অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। তবে তাদের হয়তো আরও এক–দু’দিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। কারণ আজ রোববার আইসিসি অফিসে সাপ্তাহিক ছুটি। আইসিসির সদর দপ্তর থেকে বিসিবির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই কম ছিল।
সন্ধ্যা নামার পরও বোর্ডে যোগাযোগ করে কোনো তথ্য মেলেনি। পরিচালকদের সবার একটাই কথা— আমরা কিছু জানি না, এখন পর্যন্ত কোনো আপডেট নেই।
এখন প্রশ্ন হলো, কী কী আপডেট থাকতে পারে? আইসিসি বিসিবিকে কী কী বলতে পারে?
ভারতের মাটিতে টিম বাংলাদেশের নিরাপত্তা ‘কনসার্ন’ আছে— এ তথ্য পরপর দুইবার আইসিসিকে জানিয়েছে বিসিবি। তারই প্রেক্ষিতে আইসিসি জানতে চেয়েছে, ‘কনসার্নটা কেমন, কোথায়, কী ধরনের? পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পাঠাতে বলা হয়েছে।’ বিসিবি তাও পাঠিয়েছে।
এখন দেখার বিষয়, বিসিবির পাঠানো ব্যাখ্যায় আইসিসি কতটা সন্তুষ্ট হয়। ভারতের মাটিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেখে আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেয়? বিসিবিকে কোনো অলটারনেট বা বিকল্প প্রস্তাব দেয় কি না? দিলে সেটার ধরন কী হতে পারে? এসব নিয়েই এখন জোর জল্পনা–কল্পনা।
জাগো নিউজের পাঠকরা গত সপ্তাহেই জেনেছিলেন, ‘আইসিসি বিসিবির কাছে তিনটি প্রস্তাব দিতে পারে। এক, নিজেদের সিদ্ধান্ত পাল্টে ভারতে গিয়ে খেলা। দুই, সরাসরি বিকল্প ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কার মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো খেলা। আর তিন, একেবারেই ভারতে খেলতে না চাইলে সরাসরি ফরফিট— অর্থাৎ টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়া।’ এই তিন প্রস্তাবনার কথাই ভেবেছে বিসিবিও।
তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু বদলেছে। এরই মধ্যে পাকিস্তান বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ আয়োজনের বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। আবার বাংলাদেশ আগেই জানিয়েছে— এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক স্বাগতিক শ্রীলঙ্কায় গিয়ে খেলতে তারা রাজি।
সে ক্ষেত্রে আইসিসি হয়তো শ্রীলঙ্কাকেই বেছে নেবে। কারণ শ্রীলঙ্কা সহ-আয়োজক— তাদের অগ্রাধিকার বেশি।
তবে একটি ম্যাচ নিয়ে গুঞ্জন আছে। ইতিহাস বলছে, নিজেদের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ খেললেও ২০২০–২১ মৌসুম থেকে শ্রীলঙ্কার মাটিতে গিয়ে খেলে না ইংল্যান্ড। বলার অপেক্ষা রাখে না, এবারের বিশ্বকাপে ইংলিশদের সব ম্যাচই ভারতে।
এখন ধরা যাক, বাংলাদেশের কথা মেনে ইতালি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নেপালের সঙ্গে তিনটি ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় হলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি লঙ্কার মাটিতে হবে কি না— তা নিয়ে সংশয় আছে। কেবল ইংল্যান্ড রাজি হলেই বাংলাদেশ–ইংল্যান্ড ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় হবে। নইলে সেটি ভারত কিংবা তৃতীয় কোনো দেশে আয়োজন করা হতে পারে।
কাজেই সব কথার শেষ কথা— বিসিবি নিজেদের দাবিতে অনড় থাকলেও একটি ম্যাচের জন্য ভারতে খেলার প্রস্তাব আসতেও পারে। কারণ দুই দেশ যেহেতু যৌথ আয়োজক, একটি দেশকে পুরোপুরি বাইরে রেখে তৃতীয় কোনো দেশে ম্যাচ আয়োজন করতে চাইবে না আইসিসি। সেটি যুক্তিতেও আসে না।
সুতরাং এমনও হতে পারে— ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি মাত্র ম্যাচ খেলতে লিটন দাসদের ভারতে যেতে হতে পারে। এখন প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ সরকার ও বিসিবি কি তাতে রাজি হবে? সেটাই এখন দেখার।
এআরবি/আইএইচএস
What's Your Reaction?