শেষ মুহূর্তে ফাঁকা ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক
রাত পোহালেই ঈদ। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শেষ মুহূর্তে বাড়ি যাচ্ছে মানুষজন। ভোগান্তির পর শেষ মুহূর্তে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে নেই তেমন পরিবহন। এতে মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা পড়ে আছে। ফলে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে ঘরমুখো মানুষজন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উত্তরবঙ্গের দিকে খুব একটা গাড়ি যেতে দেখা যায়নি। দুই-তিনটা করে পরিবহন গতি নিয়ে চলাচল করছে। এছাড়াও মহাসড়কে তেমন কোনো যাত্রীও নেই। তবে কিছু মানুষ বাস না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে যাচ্ছে। এর আগে বৃহস্পতিবার ভোর রাত থেকে এ মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে অন্তত ৩০ কিলোমিটার থেকে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় ঈদে ঘরমুখো মানুষকে৷ ৩ ঘণ্টার সড়ক পাড়ি দিতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগে। এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ শরীফ বলেন, মহাসড়কে পরিবহন খুবই কম। মহাসড়ক একেবারেই ফাঁকা। তবুও পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।
রাত পোহালেই ঈদ। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে শেষ মুহূর্তে বাড়ি যাচ্ছে মানুষজন।
ভোগান্তির পর শেষ মুহূর্তে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে নেই তেমন পরিবহন। এতে মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা পড়ে আছে। ফলে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে ঘরমুখো মানুষজন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উত্তরবঙ্গের দিকে খুব একটা গাড়ি যেতে দেখা যায়নি। দুই-তিনটা করে পরিবহন গতি নিয়ে চলাচল করছে। এছাড়াও মহাসড়কে তেমন কোনো যাত্রীও নেই। তবে কিছু মানুষ বাস না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে যাচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার ভোর রাত থেকে এ মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে অন্তত ৩০ কিলোমিটার থেকে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় ঈদে ঘরমুখো মানুষকে৷ ৩ ঘণ্টার সড়ক পাড়ি দিতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ শরীফ বলেন, মহাসড়কে পরিবহন খুবই কম। মহাসড়ক একেবারেই ফাঁকা। তবুও পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।
এ প্রসঙ্গে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যানবাহনের সংখ্যা খুবই কম। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুই পাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক টোল বুথ চালু করার চেষ্টা করছি৷
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এফএ/এমএস
What's Your Reaction?