শেষ হলো নির্বাচনী প্রচারণা, এবার ভোটের অপেক্ষা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচার-প্রচারণা আজ ভোরে শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার পর থেকে নির্বাচনী এলাকায় আর কোনো ধরনের মিছিল, জনসভা বা মাইকিং করা যাবে না।  এর আগে, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতেই মাঠ গরম করা নির্বাচনী সব কার্যক্রম শেষ করে নিয়েছেন প্রার্থীরা।  এখন প্রস্তুত নির্বাচন কমিশনও। সারা দেশে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে বিশাল এ যজ্ঞের নানা সরঞ্জাম। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও। এখন শুধুই ভোটের অপেক্ষা।  এদিকে, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে এ ভোট শুরু হবে। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার ও পরশু ভোটের দিন সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। আসন সংখ্যা ২৯৯টি (একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত)। নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৫১টি। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন।

শেষ হলো নির্বাচনী প্রচারণা, এবার ভোটের অপেক্ষা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচার-প্রচারণা আজ ভোরে শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার পর থেকে নির্বাচনী এলাকায় আর কোনো ধরনের মিছিল, জনসভা বা মাইকিং করা যাবে না।  এর আগে, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতেই মাঠ গরম করা নির্বাচনী সব কার্যক্রম শেষ করে নিয়েছেন প্রার্থীরা।  এখন প্রস্তুত নির্বাচন কমিশনও। সারা দেশে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে বিশাল এ যজ্ঞের নানা সরঞ্জাম। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও। এখন শুধুই ভোটের অপেক্ষা।  এদিকে, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে এ ভোট শুরু হবে। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার ও পরশু ভোটের দিন সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। আসন সংখ্যা ২৯৯টি (একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত)। নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৫১টি। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ প্রার্থী। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতের ২২৯ প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ১৯৮ প্রার্থী। আর ৫ আগস্ট কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ৩২ প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন। দেশীয় পর্যবেক্ষকদের পাশাপাশি এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৫৪০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক। নির্বাচনের মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি (স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি দুর্গম এলাকায় কিছু অস্থায়ী কেন্দ্রও রয়েছে)। মোট বুথ (ভোটকক্ষ) রয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি। এর মধ্যে পুরুষ বুথ প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি। আর নারী বুথ রয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি। এবার সবচেয়ে বেশি কেন্দ্র রয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে বড় নির্বাচনী এলাকা হিসেবে গাজীপুর-২ আসনে কেন্দ্রের সংখ্যা অন্যান্য আসনের তুলনায় অনেক বেশি। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের দুটি পৃথক ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। একটিতে থাকবে সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীক এবং অন্যটিতে থাকবে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন বা ‘জুলাই সনদ’ অনুমোদনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ। নির্বাচন উপলক্ষে মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ ছাড়া ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক ও ইজিবাইক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে আগামীকাল রাত ১২টা থেকে, যা বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow