শোককে সঙ্গী করে অপির জন্মদিন
আজ (১ মে) এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপি করিমের জন্মদিন। তবে জীবনের এই বিশেষ দিনে নেই কোনো উৎসব বা উচ্ছ্বাস। বরং প্রিয়জন হারানোর শোক আর স্মৃতির ভারেই কাটছে তার দিনটি। অপি করিম জানান, এটি তার বাবাকে ছাড়া কাটানো পঞ্চম জন্মদিন। শুধু বাবাই নয়, স্বামীর পরিবারের অভিভাবকদেরও হারিয়েছেন তিনি। ফলে জন্মদিন এলেই আনন্দের বদলে ফিরে আসে না-ফেরা মানুষদের স্মৃতি, ভর করে শূন্যতা। আরও পড়ুন:‘এটা আমাদেরই গল্প’ শেষ হয়ে যাচ্ছে, আবেগে যা বললেন পরিচালক রাজ জাগো এন্টারটেইনমেন্টে হাসির ঝড়, এলো ‘ঝগড়া হোটেল’ জন্মদিনের সকাল শুরু হয়েছে বাবার কবর জিয়ারত করে। বছরের অন্য সময় নিজেকে সামলে রাখলেও এদিন আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। অপি করিম বলেন, ‘বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে আমি কাঁদি না। কারণ, বাবা আমাদের কান্না একদমই সহ্য করতে পারতেন না। কিন্তু আজ কবর জিয়ারত করতে গিয়ে নিজেকে আর সামলাতে পারিনি। যখনই মনে হয়েছে, বাবাকে আর কোনোদিন ফিরে পাব না-হাউমাউ করে কেঁদেছি।’ তিনি আরও বলেন, এখন ব্যক্তিগত কোনো চাওয়ার চেয়ে প্রিয়জনদের সুস্থতাই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ‘পরিবারের অনেক প্রিয় মানুষ ও অভিভাবক অসুস্থ। জন্মদিনে তাই সবচেয়ে
আজ (১ মে) এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপি করিমের জন্মদিন। তবে জীবনের এই বিশেষ দিনে নেই কোনো উৎসব বা উচ্ছ্বাস। বরং প্রিয়জন হারানোর শোক আর স্মৃতির ভারেই কাটছে তার দিনটি।
অপি করিম জানান, এটি তার বাবাকে ছাড়া কাটানো পঞ্চম জন্মদিন। শুধু বাবাই নয়, স্বামীর পরিবারের অভিভাবকদেরও হারিয়েছেন তিনি। ফলে জন্মদিন এলেই আনন্দের বদলে ফিরে আসে না-ফেরা মানুষদের স্মৃতি, ভর করে শূন্যতা।
আরও পড়ুন:
‘এটা আমাদেরই গল্প’ শেষ হয়ে যাচ্ছে, আবেগে যা বললেন পরিচালক রাজ
জাগো এন্টারটেইনমেন্টে হাসির ঝড়, এলো ‘ঝগড়া হোটেল’
জন্মদিনের সকাল শুরু হয়েছে বাবার কবর জিয়ারত করে। বছরের অন্য সময় নিজেকে সামলে রাখলেও এদিন আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। অপি করিম বলেন, ‘বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে আমি কাঁদি না। কারণ, বাবা আমাদের কান্না একদমই সহ্য করতে পারতেন না। কিন্তু আজ কবর জিয়ারত করতে গিয়ে নিজেকে আর সামলাতে পারিনি। যখনই মনে হয়েছে, বাবাকে আর কোনোদিন ফিরে পাব না-হাউমাউ করে কেঁদেছি।’
তিনি আরও বলেন, এখন ব্যক্তিগত কোনো চাওয়ার চেয়ে প্রিয়জনদের সুস্থতাই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ‘পরিবারের অনেক প্রিয় মানুষ ও অভিভাবক অসুস্থ। জন্মদিনে তাই সবচেয়ে বড় প্রার্থনা- পরিবারসহ সবার সুস্থতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটু শান্তি।’
শৈশবেই অভিনয়ে পথচলা শুরু করেন অপি করিম। শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করার পর মঞ্চনাটকেও নিয়মিত ছিলেন তিনি। ১৯৯৯ সালে লাক্স ফটোজেনিক প্রতিযোগিতা ১৯৯৯ সালে সেরা হয়ে ব্যাপক পরিচিতি পান এ অভিনেত্রী।
এমএমএফ
What's Your Reaction?