শ্যালিকাকে ধর্ষণ, কারাগারে চিকিৎসক

যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসান জানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সকালে শ্যালিকাকে ধর্ষণের মামলায় যশোর উপশহর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাঈদ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওবাইদুর রহমান জানান, ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে তার শ্যালিকা মণিরামপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে নজরদারি বাড়ায়। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার সকালে যশোর শহরের উপশহরের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে পড়াশোনা এবং নিজের সন্তানদের দেখাশোনার কথা বলে ডা. রাফসান জানি তার শ্যালিকাকে যশোরে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে তিনি ভুক্তভোগীকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের সেই দৃশ্য গোপনে ভিডিও ধারণ করে পরে তা দিয়ে ভুক্তভোগীকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল করতে

শ্যালিকাকে ধর্ষণ, কারাগারে চিকিৎসক

যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসান জানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সকালে শ্যালিকাকে ধর্ষণের মামলায় যশোর উপশহর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাঈদ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওবাইদুর রহমান জানান, ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে তার শ্যালিকা মণিরামপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করতে নজরদারি বাড়ায়। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার সকালে যশোর শহরের উপশহরের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে পড়াশোনা এবং নিজের সন্তানদের দেখাশোনার কথা বলে ডা. রাফসান জানি তার শ্যালিকাকে যশোরে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে তিনি ভুক্তভোগীকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের সেই দৃশ্য গোপনে ভিডিও ধারণ করে পরে তা দিয়ে ভুক্তভোগীকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন।

অভিযোগে বলা হয়, বিয়ের প্রলোভন ও আশ্বাস দিয়ে মনিরামপুর উপজেলা সদরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে ভুক্তভোগীকে সেখানে রাখেন ওই চিকিৎসক। সেখানেও দীর্ঘ সময় ধরে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও মানসিক চাপ প্রয়োগ করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। 

মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাঈদ জানান, ধর্ষণ মামলায় চিকিৎসক রাফসান জানিকে যশোর শহরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow