শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ
বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। মারধরের শিকার শ্রমিক নেতা আরজু মৃধা বরিশাল জেলা শ্রমিক দলের সদস্য। অভিযোগ উঠা ব্যক্তি হলেন- বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারফ হোসেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি মালিক সমিতির সভাপতি উভয় পক্ষকে হেফাজতে নেয়। পরে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে ঘণ্টাখানেক পর ছেড়ে দেওয়া হয়। মারধরের শিকার জেলা শ্রমিক দলের সদস্য ও নথুল্লাবাদ শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য আরজু মৃধা বলেন, বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারফ হোসেন আওয়ামী লীগের লোকদের নিয়ে সিন্ডিকেট করেছেন। বিগত ১৭ বছর আমরা যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছি তাদের তিনি হয়রানি করছেন। তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পরও আমাকে শ্রমিক ইউনিয়নে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর অন্যতম সহযোগী মোস্তফা কামালকে দিয়ে তিনি ইউনিয়ন পরিচাল
বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
মারধরের শিকার শ্রমিক নেতা আরজু মৃধা বরিশাল জেলা শ্রমিক দলের সদস্য। অভিযোগ উঠা ব্যক্তি হলেন- বরিশাল বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারফ হোসেন।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি মালিক সমিতির সভাপতি উভয় পক্ষকে হেফাজতে নেয়। পরে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে ঘণ্টাখানেক পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
মারধরের শিকার জেলা শ্রমিক দলের সদস্য ও নথুল্লাবাদ শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য আরজু মৃধা বলেন, বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারফ হোসেন আওয়ামী লীগের লোকদের নিয়ে সিন্ডিকেট করেছেন। বিগত ১৭ বছর আমরা যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছি তাদের তিনি হয়রানি করছেন।
তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পরও আমাকে শ্রমিক ইউনিয়নে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর অন্যতম সহযোগী মোস্তফা কামালকে দিয়ে তিনি ইউনিয়ন পরিচালনা করছেন। আমি এর প্রতিবাদ করায় তারা আমার ওপর ক্ষুব্ধ।
আরজু মৃধা বলেন, দীর্ঘদিন পর বুধবার রাতে আমি নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে শ্রমিকদের নিয়ে ইউনিয়ন কার্যালয়ে বসে চায়ের আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ করেই মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশারফ হোসেন এবং শ্রমিক ইউনিয়নের কথিত সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফাসহ কয়েকজন এসে আমার ওপর অতর্কিত হামলা শুরু করে। কোনো কথাবার্তা ছাড়াই আমাকে বেধম মারধর করে।
তবে বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশাররফ হোসেন মারধরের কথা স্বীকার করে বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিভিন্ন লোক সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে সমিতিতে চাঁদাবাজি করে। তাদের সহযোগিতা করত আরজু মৃধা।
তিনি আরও বলেন, নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের দিনই আরজু এসে শ্রমিক ইউনিয়ন দখলের চেষ্টা করে। সে শ্রমিক ইউনিয়নে সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসে। এজন্য তাকে মারধর করে ইউনিয়ন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। যে দখল করতে আসে তাকে তো আর আদর-আপ্যায়ন করে সরানো যাবে না।
এদিকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র নথুল্লাবাদে শ্রমিকদের একাংশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। দ্রুত এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ এবং সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি সমিতির সভাপতি মোশারফ হোমেন এবং শ্রমিক নেতা আরজু মৃধাকে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে দুপক্ষকে শান্ত থাকার নির্দেশনা দিয়ে ঘণ্টাখানেক পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুস সালাম বলেন, চেয়ারে বসা নিয়ে মালিক এবং শ্রমিকদের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছিল। পরে তা মীমাংসা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
What's Your Reaction?