শ্রমিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় কারখানায় উত্তেজনা, সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় এক শ্রমিককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি হার্ডওয়্যার তালা তৈরির কারখানায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় সাংবাদিকদের কারখানায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়, ছবি ও ভিডিও ধারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে শ্রমিকদের একটি অংশ লাঠিসোঁটাও নিক্ষেপ করে।
শনিবার (২০ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নবগ্রাম এলাকায় অবস্থিত চীনা মালিকানাধীন ওই কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও শ্রমিকদের অভিযোগ, মালিকপক্ষের এক প্রতিনিধি এক শ্রমিককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন। এর প্রতিবাদে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে কারখানার মূল ফটক আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে শিবালয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে শ্রমিকদের বাধার মুখে পুলিশকে পিছু হটতে হয়।
পরবর্তীতে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাইরে এসে গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই, ডিজিএফআই এবং সাংবাদিকদের কারখানার ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেন। কিন্তু মূল ফটকে পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা তাদের প্রবেশে বাধা দেন। এ সময় সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও ধারণে বাধা
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় এক শ্রমিককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি হার্ডওয়্যার তালা তৈরির কারখানায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় সাংবাদিকদের কারখানায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়, ছবি ও ভিডিও ধারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে শ্রমিকদের একটি অংশ লাঠিসোঁটাও নিক্ষেপ করে।
শনিবার (২০ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নবগ্রাম এলাকায় অবস্থিত চীনা মালিকানাধীন ওই কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও শ্রমিকদের অভিযোগ, মালিকপক্ষের এক প্রতিনিধি এক শ্রমিককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধর করেন। এর প্রতিবাদে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে কারখানার মূল ফটক আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে শিবালয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে শ্রমিকদের বাধার মুখে পুলিশকে পিছু হটতে হয়।
পরবর্তীতে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাইরে এসে গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই, ডিজিএফআই এবং সাংবাদিকদের কারখানার ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেন। কিন্তু মূল ফটকে পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা তাদের প্রবেশে বাধা দেন। এ সময় সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি লাঠিসোঁটা নিক্ষেপ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য ও সাংবাদিকরা নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানার গেট ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
ঘটনার বিষয়ে মালিকপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার প্রধান ফটকে অবস্থানরত প্রতিষ্ঠানের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. জমির উদ্দিন সাংবাদিকদের ছবি ও ভিডিও ধারণ না করার অনুরোধ জানিয়ে কারখানার ভেতরে চলে যান।
এ বিষয়ে শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুর রহমান বলেন, কারখানায় উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে শ্রমিকদের বাধা এবং পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ ও সাংবাদিকরা নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।