শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি, শিক্ষকের গলায় জুতার মালা
নোয়াখালীর হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) যৌন হয়রানির অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে জুতার মালা পরিয়ে ঘুরিয়েছেন স্থানীয়রা। সোমবার (২৯ মে) সকাল সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের আহমদিয়া বাজারের মোজাফফর নূরানী মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আনসার উদ্দিন ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ভোরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ক্লাসে ১০ শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিলেন। পরে সোয়া ১০টার দিকে ক্লাস পুরোপুরি ছুটি দেওয়া হয়। ওই সময় শিক্ষার্থীরা বের হয়ে গেলে এক শিশুর সামনে আরেক শিশুকে খারাপভাবে স্পর্শ করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। ভুক্তভোগী শিশু বাড়ি ফিরে বিষয়টি তার মাকে জানান। এরপর শিশুর বাবা স্থানীয়দের নিয়ে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। এ সময় স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে গলায় জুতার মালা পরিয়ে এলাকায় ঘোরান। তখন স্থানীয় বাজার, মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির নেতারা বসে অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করেন। জানতে চাইলে মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা শামছুদ্দিন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা কমিটি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি শিশুর
নোয়াখালীর হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে শিশু শিক্ষার্থীকে (৭) যৌন হয়রানির অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে জুতার মালা পরিয়ে ঘুরিয়েছেন স্থানীয়রা।
সোমবার (২৯ মে) সকাল সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের আহমদিয়া বাজারের মোজাফফর নূরানী মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আনসার উদ্দিন ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ভোরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ক্লাসে ১০ শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিলেন। পরে সোয়া ১০টার দিকে ক্লাস পুরোপুরি ছুটি দেওয়া হয়। ওই সময় শিক্ষার্থীরা বের হয়ে গেলে এক শিশুর সামনে আরেক শিশুকে খারাপভাবে স্পর্শ করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। ভুক্তভোগী শিশু বাড়ি ফিরে বিষয়টি তার মাকে জানান। এরপর শিশুর বাবা স্থানীয়দের নিয়ে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। এ সময় স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে গলায় জুতার মালা পরিয়ে এলাকায় ঘোরান। তখন স্থানীয় বাজার, মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির নেতারা বসে অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করেন।
জানতে চাইলে মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা শামছুদ্দিন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা কমিটি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি শিশুর পরিবারের সদস্য আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বসে সমাধান করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শিশুর অভিভাবককে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে তারা কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি।
What's Your Reaction?