ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট জাদুঘরের ই-টিকিটিং সেবা চালু

পর্যটকদের ভোগান্তি কমানো ও সময় সাশ্রয়ের জন্য বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট জাদুঘরে প্রবেশের জন্য ই-টিকিটিং সেবা চালু করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ষাটগম্বুজ মসজিদের প্রধান ফটকে এই সেবার উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব। এ সময় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন, বাগেরহাট জাদুঘরের কাস্টডিয়ান মো. জাহেদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ই-টিকিটিং সেবার মাধ্যমে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় দর্শনার্থীদের প্রবেশ আরও সহজ হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের। উদ্বোধন শেষে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ই-টিকিটিং সেবা চালুর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সময় বাঁচবে এবং ভোগান্তি কমবে। এটি পর্যটন ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাগেরহাটের পর্যটন শিল্পের বিকাশে ষাটগম্বুজ মসজিদসহ প্রাচীন আমলের যেসব স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো যে স্থাপত

ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট জাদুঘরের ই-টিকিটিং সেবা চালু

পর্যটকদের ভোগান্তি কমানো ও সময় সাশ্রয়ের জন্য বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট জাদুঘরে প্রবেশের জন্য ই-টিকিটিং সেবা চালু করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ষাটগম্বুজ মসজিদের প্রধান ফটকে এই সেবার উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব।

এ সময় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন, বাগেরহাট জাদুঘরের কাস্টডিয়ান মো. জাহেদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ই-টিকিটিং সেবার মাধ্যমে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় দর্শনার্থীদের প্রবেশ আরও সহজ হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

উদ্বোধন শেষে ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ই-টিকিটিং সেবা চালুর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সময় বাঁচবে এবং ভোগান্তি কমবে। এটি পর্যটন ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাগেরহাটের পর্যটন শিল্পের বিকাশে ষাটগম্বুজ মসজিদসহ প্রাচীন আমলের যেসব স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো যে স্থাপত্যশৈলীর, বাগেরহাটের অন্য স্থাপনাগুলোও সেই স্থাপত্য শৈলিতে নির্মান করা গেলে বাগেরহাটের পর্যটন শিল্পে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

তিনি আরও বলেন, ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটনের ক্ষেত্রেও বাগেরহাট নতুনভাবে পরিচিতি পাবে।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম বলেন, বিশ্ব ঐতিহ্য এই স্থাপনাগুলোকে আরও দর্শনার্থীবান্ধব করতে সরকার কাজ করছে। ই-টিকিটিং সেবার মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও সেবার মান বাড়বে। আশা করি প্রতি বছর দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটক বাড়বে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow