সংকটে পোশাক খাত, নীতি সহায়তা বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারস্থ বিজিএমইএ
দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প বর্তমানে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখে। এই সংকট মোকাবিলায় নীতি সহায়তা জোরদার এবং বিআরপিডি সার্কুলার-০৭/২০২৫ এর আওতায় আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএমইএ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার (২২ এপ্রিল) বিজিএমইএ’র পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ অনুরোধ জানায়।
প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন- সাবেক সহসভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং জনসংযোগ ও প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ কবির। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তপাদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিজিএমইএ প্রতিনিধি দল ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করে।
প্রথমত, বিআরপিডি সার্কুলার-০৭/২০২৫ এর আওতায় নীতি সহায়তার জন্য খেলাপি হিসাবের সময়সীমা নভে
দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প বর্তমানে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখে। এই সংকট মোকাবিলায় নীতি সহায়তা জোরদার এবং বিআরপিডি সার্কুলার-০৭/২০২৫ এর আওতায় আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএমইএ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার (২২ এপ্রিল) বিজিএমইএ’র পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ অনুরোধ জানায়।
প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন- সাবেক সহসভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং জনসংযোগ ও প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ কবির। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তপাদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিজিএমইএ প্রতিনিধি দল ৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করে।
প্রথমত, বিআরপিডি সার্কুলার-০৭/২০২৫ এর আওতায় নীতি সহায়তার জন্য খেলাপি হিসাবের সময়সীমা নভেম্বর ২০২৫ থেকে বাড়িয়ে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। এতে নতুন করে অনেক রুগ্ন ও সমস্যাগ্রস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান এই সুবিধার আওতায় আসতে পারবে এবং তাদের ব্যবসা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে অ-পরিশোধিত ঋণ (এনপিএল) হ্রাস পাবে এবং সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতা জোরদার হবে।
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত নীতি সহায়তা যেন বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করে, সে জন্য কার্যকর ও বাধ্যতামূলক নির্দেশনা প্রদানের দাবি জানানো হয়। কারণ, অনেক ক্ষেত্রে এসব সহায়তা যথাসময়ে বাস্তবায়িত না হওয়ায় যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো বঞ্চিত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুস্পষ্ট নির্দেশনা নিশ্চিত করা গেলে শিল্প উৎপাদন বাড়বে, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরে আসবে।
তৃতীয়ত, বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর জন্য আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কারখানার সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই সহজ হবে এবং বাস্তবভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন সম্ভব হবে, যা পুনর্বাসন ও পুনরুজ্জীবন কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ বিজিএমইএ প্রতিনিধি দলের উত্থাপিত বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।