সংরক্ষিত নারী আসনে জোরালো আলোচনায় মহিলা দল নেত্রী আসমা আজিজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী নতুন সরকারের যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন। আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে বিধায় বিএনপির নারী রাজনীতির অঙ্গন এখন বেশ সরগরম।
দলীয় মনোনয়ন পেতে মহিলা দলের পাশাপাশি সাবেক ছাত্রদল নেত্রীদের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। এই দৌড়ে বরগুনা জেলা থেকে আলোচনার সামনের সারিতে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রী অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ।
দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় থাকা অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ জেল-জুলুম ও ত্যাগের মহিমায় তৃণমূলে এক পরিচিত নাম। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্যের কারণে দলের ভেতর তার বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি ছিলেন নির্ভীক।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বেগম জিয়ার আদালতের হাজিরা থেকে শুরু করে রাজপথের প্রতিটি কর্মসূচিতে তার সরব উপস্থিতি ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে বিস্ফোরক আইনসহ বিভি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী নতুন সরকারের যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন। আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে বিধায় বিএনপির নারী রাজনীতির অঙ্গন এখন বেশ সরগরম।
দলীয় মনোনয়ন পেতে মহিলা দলের পাশাপাশি সাবেক ছাত্রদল নেত্রীদের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। এই দৌড়ে বরগুনা জেলা থেকে আলোচনার সামনের সারিতে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রী অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ।
দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় থাকা অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ জেল-জুলুম ও ত্যাগের মহিমায় তৃণমূলে এক পরিচিত নাম। বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্যের কারণে দলের ভেতর তার বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি ছিলেন নির্ভীক।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বেগম জিয়ার আদালতের হাজিরা থেকে শুরু করে রাজপথের প্রতিটি কর্মসূচিতে তার সরব উপস্থিতি ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে বিস্ফোরক আইনসহ বিভিন্ন ধারায় একাধিক রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়েছেন তিনি, সহ্য করেছেন নানামুখী দমন-পীড়ন।
অ্যাডভোকেট আসমা আজিজের রাজনীতির হাতেখড়ি পারিবারিক বলয়ে। তার বাবা আব্দুল আজিজ বিএসসি বরগুনার ৪নং কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বরগুনা জেলা ‘জাগো দল’-এর সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। শৈশব থেকেই পারিবারিকভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির আদর্শে বেড়ে ওঠা আসমা আজিজ গ্রামীণ রাজনীতির জটিল সমীকরণ ও মানুষের সুখ-দুঃখের সাথে নিবিড়ভাবে পরিচিত। এই অভিজ্ঞতাই তাকে একজন জনবান্ধব নেত্রী হিসেবে গড়ে তুলেছে।
বরগুনার স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, আসমা আজিজ কেবল একজন আইনজীবী বা নেত্রী নন, তিনি বিপদে-আপদে কর্মীদের ছায়ার মতো আগলে রাখেন। রাজপথের লড়াইয়ে তার আপসহীন ভূমিকার কারণে বরগুনাবাসী ও তৃণমূলের কর্মীরা তাকে সংরক্ষিত নারী আসনে যোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, দলের হাইকমান্ড যদি রাজপথের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করে, তবে আসমা আজিজ অবশ্যই তালিকায় স্থান পাবেন।
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের বিষয়ে অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ বলেন, দলের কঠিন সময়ে রাজপথে থেকেছি, কোনো ভয়ভীতি বা প্রলোভন আমাকে আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। আমি কোনো প্রাপ্তির আশায় নয়, বরং জিয়া পরিবারের প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধার জায়গা থেকেই রাজনীতি করেছি। ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে আজ আমি মূল ধারার রাজনীতিতে। আমি বিশ্বাস করি, দল আমার ত্যাগ ও তিতিক্ষা বিবেচনা করবে। বরগুনা থেকে আমাকে সুযোগ দেওয়া হলে অবহেলিত মানুষের অধিকার রক্ষা এবং এলাকার উন্নয়নে আমি অগ্রণী ভূমিকা পালন করব ইনশাআল্লাহ।