সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা ইসির হাতে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত নারী আসনের ২৯৬ জন ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সংসদ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটের বিষয়ে ২৯৬ জনের একটি তালিক আমাদের দেওয়া হয়েছে। এখন আমরা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। জাতীয় সংসদের নারী আসনের নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, বিএনপি ৩৪ দশমিক ৬৬ আসন বা ৩৫টি আসন পাবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১ দশমিক ৩৩ বা ১১ টি আসন পাবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১ দশমিক ১৬ শতাংশ বা ১টি আসন পাবে (যদি জোট করে) । জাতীয় নাগরিক পার্টি পাবে ১টি আসন। অন্য ছোট দলগুলো নিজেদের মধ্যে জোট না করলে কোনো আসন পাবে না। তবে জোট করলে পাবে ১টি আসন। এক্ষেত্রে বিএনপির আরো একটি আসন বেড়ে দাঁড়াবে ৩৬টি। আবার জোটগত ভাবে যদি নির্বাচন করে তাহলে বিএনপি ৩৫ টি আসনই পাবে। তবে জামায়াতের দুটি আসন বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ টি হবে। নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংসদের নারী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন রোজার মধ্যে করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছি। ঈদের আগেই এ নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করতে চাই আমরা।

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা ইসির হাতে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত নারী আসনের ২৯৬ জন ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সংসদ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটের বিষয়ে ২৯৬ জনের একটি তালিক আমাদের দেওয়া হয়েছে। এখন আমরা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

জাতীয় সংসদের নারী আসনের নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, বিএনপি ৩৪ দশমিক ৬৬ আসন বা ৩৫টি আসন পাবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১ দশমিক ৩৩ বা ১১ টি আসন পাবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১ দশমিক ১৬ শতাংশ বা ১টি আসন পাবে (যদি জোট করে) । জাতীয় নাগরিক পার্টি পাবে ১টি আসন। অন্য ছোট দলগুলো নিজেদের মধ্যে জোট না করলে কোনো আসন পাবে না। তবে জোট করলে পাবে ১টি আসন। এক্ষেত্রে বিএনপির আরো একটি আসন বেড়ে দাঁড়াবে ৩৬টি। আবার জোটগত ভাবে যদি নির্বাচন করে তাহলে বিএনপি ৩৫ টি আসনই পাবে। তবে জামায়াতের দুটি আসন বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ টি হবে।

নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংসদের নারী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন রোজার মধ্যে করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছি। ঈদের আগেই এ নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করতে চাই আমরা। এছাড়া শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন ঈদের পরে করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow