সংসদ ও সংবিধান থেকে জনগণ অনেক শক্তিশালী : রেজাউল করিম
ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, সংসদ ও সংবিধান থেকে জনগণ অনেক শক্তিশালী। ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায় আপনাদেরকে বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আমরা জানতে চাই, কোন সংবিধানের অধীনে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় শহর জামায়াতের উদ্যোগে ১ হাজার অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে ফুড প্যাকেট বিতরণ করা হয়।
ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, জুলাই আন্দোলন যদি না হতো, তাহলে এদেশের অনেক রাজনৈতিক দলের নেতারা দেশের মাটিতে পা রাখতে পারতেন না। আপনাকেও তো (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) আরেক দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখন আপনি বলছেন, সব নাকি আবেগ নয়, বিবেক দিয়ে চলবে। বিবেক দিয়ে কি গুম করেছিল শেখ হাসিনা? বিবেক দিয়েই কি আপনাদের এবং আমাদের নেতাদের ফাঁসি দিয়েছিল?
তিনি আরও বলেন, আমাদের আবু সাঈদ, মুগ্ধ, আফনান ও কাউছাররা মাথা উঁচু করে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে পরিব
ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, সংসদ ও সংবিধান থেকে জনগণ অনেক শক্তিশালী। ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায় আপনাদেরকে বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আমরা জানতে চাই, কোন সংবিধানের অধীনে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় শহর জামায়াতের উদ্যোগে ১ হাজার অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে ফুড প্যাকেট বিতরণ করা হয়।
ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, জুলাই আন্দোলন যদি না হতো, তাহলে এদেশের অনেক রাজনৈতিক দলের নেতারা দেশের মাটিতে পা রাখতে পারতেন না। আপনাকেও তো (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) আরেক দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখন আপনি বলছেন, সব নাকি আবেগ নয়, বিবেক দিয়ে চলবে। বিবেক দিয়ে কি গুম করেছিল শেখ হাসিনা? বিবেক দিয়েই কি আপনাদের এবং আমাদের নেতাদের ফাঁসি দিয়েছিল?
তিনি আরও বলেন, আমাদের আবু সাঈদ, মুগ্ধ, আফনান ও কাউছাররা মাথা উঁচু করে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছিল।
জামায়াতের এ নেতা বলেন, এক হাতে আমরা ভোট দিলাম একটা মার্কায়, সেটা ভালো লাগে কিন্তু আবার যখন ‘হ্যাঁ’ এ ভোট দিলাম, সেটা ভালো লাগে না। ভালো না লাগার কারণ হলো, আপনারা ‘না’ এর পক্ষে ছিলেন। যারা সরকারে আছেন, আপনারা ‘না’ এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছিলেন। শেষে জনগণের চাপে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে এসেছিলেন। এ জন্য হ্যাঁ মেনে নিতে আপনাদের কষ্ট হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতে ইসলামী লক্ষ্মীপুর জেলা সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্লাহ, শহর শাখা আমির আবুল ফারাহ নিশান, লক্ষ্মীপুর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মমিন উল্লাহ পাটোয়ারী, শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা জহিরুল ইসলাম, সেক্রেটারি হারুনুর রশিদ, সহকারী সেক্রেটারি মঞ্জুরুল আলম মিরন।