সকাল ৯টার পরও রাণীশংকৈলে একাধিক সরকারি দপ্তরে তালা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় রমজান মাসে সকাল ৯টার পরও একাধিক সরকারি দপ্তর তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। সম্প্রতি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার পর সরজমিনে পৌর শহরের হেলিপ্যাড-সংলগ্ন নন্দুয়ার-হোসেনগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, অফিসে তালা ঝুলছে। তখন ঘড়িতে সময় সকাল ৯টা ২৪ মিনিট। একই সময়ে উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজিবুর রহমানের কক্ষ খোলা থাকলেও তিনি উপস্থিত নেই। তাঁর সরকারি মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়। ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবুল কালাম আজাদের কক্ষও তালাবদ্ধ ছিল। পরে তাঁকে উপজেলা পুকুরপাড় এলাকায় দেখা যায়। এ ছাড়া উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কার্যালয়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তার কক্ষও সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামাল মোবাইলে জানান, তিনি ছ

সকাল ৯টার পরও রাণীশংকৈলে একাধিক সরকারি দপ্তরে তালা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় রমজান মাসে সকাল ৯টার পরও একাধিক সরকারি দপ্তর তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। সম্প্রতি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার পর সরজমিনে পৌর শহরের হেলিপ্যাড-সংলগ্ন নন্দুয়ার-হোসেনগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, অফিসে তালা ঝুলছে। তখন ঘড়িতে সময় সকাল ৯টা ২৪ মিনিট।

একই সময়ে উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজিবুর রহমানের কক্ষ খোলা থাকলেও তিনি উপস্থিত নেই। তাঁর সরকারি মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়। ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আবুল কালাম আজাদের কক্ষও তালাবদ্ধ ছিল। পরে তাঁকে উপজেলা পুকুরপাড় এলাকায় দেখা যায়।

এ ছাড়া উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কার্যালয়, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় এবং উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তার কক্ষও সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামাল মোবাইলে জানান, তিনি ছুটিতে আছেন। তবে অফিস যথাসময়ে খোলার কথা উল্লেখ করে বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।

এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে সেখানে তাঁর অফিস কক্ষ খোলা থাকলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর অফিসের একজন কর্মচারী বলেন, ‘স্যার অসেননি, তবে আসবেন।’ পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগমের মোবাইলে ফোন দিলে তিনি বলেন, ‘যারা কার্যালয় যথাসময়ে খোলেনি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow