সড়কের পাশে মিলল যুবকের তিন টুকরো মরদেহ
কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাত যুবকের তিন টুকরো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরের দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন কচ্ছপিয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই মরদেহটি আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী কোনো এক যুবকের বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে বস্তাবন্দি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ গিয়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওই মরদেহের তিনটি খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে। বিভিন্ন স্থান থেকে বস্তাবন্দি আলাদা ছয়টি অংশে যুবকের দেহ পাওয়া যায়। এ দিকে এমন নৃশংস ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়ে। একইসঙ্গে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) দুর্জয় বিশ্বাস বলেন, ‘এটি একজন পুরুষের মরদেহ। খণ্ডিত অংশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। নিহত ব্যক্তির পরিচয়ও এখনো শনাক্ত করা যায়নি।’
কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাত যুবকের তিন টুকরো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরের দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন কচ্ছপিয়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ওই মরদেহটি আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী কোনো এক যুবকের বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে বস্তাবন্দি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ গিয়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওই মরদেহের তিনটি খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে। বিভিন্ন স্থান থেকে বস্তাবন্দি আলাদা ছয়টি অংশে যুবকের দেহ পাওয়া যায়।
এ দিকে এমন নৃশংস ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়ে। একইসঙ্গে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) দুর্জয় বিশ্বাস বলেন, ‘এটি একজন পুরুষের মরদেহ। খণ্ডিত অংশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। নিহত ব্যক্তির পরিচয়ও এখনো শনাক্ত করা যায়নি।’
এ পুলিশ কর্মকর্তা দাবি করেন, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রেখে যায়। যাতে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
টেকনাফ মডেল থানার (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘খণ্ডিত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
What's Your Reaction?