সন্ত্রাসী রিপন গ্রেপ্তার, জনমনে স্বস্তি
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ৯ মামলার আসামি রিপন হোসেন ওরফে রিপনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। শনিবার (২৮ মার্চ) যশোর জেলার নীলগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিপন হোসেন (৩২) দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া নোড়ারচক এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় ৬টি, কালিগঞ্জ থানায় ১টি এবং ফরিদপুর ও যশোরের বিভিন্ন থানায় আরও মামলা রয়েছে, সব মিলিয়ে মোট ৯টি মামলা। ৩টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিপন দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দেবহাটার পারুলিয়ার খলিসাখালী এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রায় ১৪০০ বিঘা বৈধ মালিকানাধীন চিংড়ি ঘের দখল, লুটপাট ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। এতে প্রায় ৩০০ জনের বেশি জমির মালিক দীর্ঘদিন জিম্মি অবস্থায় ছিলেন। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্থানীয় জমির মালিক ও এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে অবৈধ দখলদারদের প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং নিজেদের জমিতে পুনরায় চিংড়ি চাষ শুরু করেন। এসব জমির আয়ের ওপর নির্ভর করে স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়ে থাকে। অভিযো
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ৯ মামলার আসামি রিপন হোসেন ওরফে রিপনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। শনিবার (২৮ মার্চ) যশোর জেলার নীলগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রিপন হোসেন (৩২) দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া নোড়ারচক এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় ৬টি, কালিগঞ্জ থানায় ১টি এবং ফরিদপুর ও যশোরের বিভিন্ন থানায় আরও মামলা রয়েছে, সব মিলিয়ে মোট ৯টি মামলা। ৩টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিপন দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দেবহাটার পারুলিয়ার খলিসাখালী এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রায় ১৪০০ বিঘা বৈধ মালিকানাধীন চিংড়ি ঘের দখল, লুটপাট ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। এতে প্রায় ৩০০ জনের বেশি জমির মালিক দীর্ঘদিন জিম্মি অবস্থায় ছিলেন।
পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্থানীয় জমির মালিক ও এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে অবৈধ দখলদারদের প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং নিজেদের জমিতে পুনরায় চিংড়ি চাষ শুরু করেন। এসব জমির আয়ের ওপর নির্ভর করে স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়ে থাকে।
অভিযোগ রয়েছে, রিপন ও তার সহযোগীরা একটি সশস্ত্র চক্র গড়ে তুলে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়লে তারা আত্মগোপনে চলে যায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডির মাধ্যমে জমির মালিক, ঘের ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক মজিদ হাজি, আব্দুল আজিজ ও রুহুল আমিনসহ স্থানীয়রা রিপনের সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। রিপনের গ্রেপ্তারের খবরে দেবহাটা উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।
খলিসাখালীর জমির মালিক ইকবাল মাসুদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রিপন সশস্ত্রভাবে জমি দখল ও লুটপাট চালিয়ে আসছিল। তাকে গ্রেপ্তার করায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি। তবে তার সহযোগীদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
দেবহাটা থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। অন্যান্য থানার মামলাগুলোর বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তার সহযোগীদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?