সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর

আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনির সঙ্গে বৈঠকে তিনি সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, যা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে শাহবাজ শরিফ জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সংকট মোকাবিলায় সব পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন। তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে পুরো অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আঞ্চলিক সংকট নিরসনে পাকিস্তান শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, বিরোধপূর্ণ পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপের পরিবেশ তৈরি করতে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত রয়েছে। পাকিস্তান সরকারের মতে, আলোচনার মাধ্যমেই বর্তমান সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব এবং এ জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা প্রয়োজন। এদিকে হরমুজ প্রণালিতে একাধিক বিস্ফোরণের পর কয়েকটি জাহাজে ‘বড় ধরনের আগুন’ লাগার দাবি করেছে ইরা

সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর

আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনির সঙ্গে বৈঠকে তিনি সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, যা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে শাহবাজ শরিফ জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সংকট মোকাবিলায় সব পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন। তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে পুরো অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আঞ্চলিক সংকট নিরসনে পাকিস্তান শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, বিরোধপূর্ণ পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপের পরিবেশ তৈরি করতে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত রয়েছে।

পাকিস্তান সরকারের মতে, আলোচনার মাধ্যমেই বর্তমান সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব এবং এ জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা প্রয়োজন।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে একাধিক বিস্ফোরণের পর কয়েকটি জাহাজে ‘বড় ধরনের আগুন’ লাগার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

এসব জাহাজে তাদের বাহিনী সরাসরি হামলা চালিয়েছে নাকি আগে থেকে পেতে রাখা সমুদ্র মাইনের বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

দেশটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে এক ফোঁটা তেল বা গ্যাস, এমনকি একটি রাসায়নিক সারও এই প্রণালি দিয়ে রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান, যুদ্ধের আগের পরিস্থিতি পুনর্বহাল করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক নৌপথ স্বাভাবিক রাখতে হবে।

দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো কঠিন হয়ে রয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow