সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবি
চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বন্যাকবলিত ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়া অঞ্চলে চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। সোমবার (১৩ জুলাই) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদের যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এসব দুর্যোগে অন্তত ৫১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং লাখো মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা জানান, অনেক এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষাকেন্দ্রে পানি প্রবেশ করেছে। ছোট রাস্তা ও গলিগুলোও প্লাবিত হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের কোমরসমান পানি পেরিয়ে, দীর্ঘ যানজট ও ভেঙে পড়া যোগাযোগব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদেরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সন্তানদের কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে হচ্ছে। নেতারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তবে বন্যাকবলিত অঞ্চল
চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বন্যাকবলিত ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়া অঞ্চলে চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
সোমবার (১৩ জুলাই) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদের যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এসব দুর্যোগে অন্তত ৫১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং লাখো মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।
তারা জানান, অনেক এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষাকেন্দ্রে পানি প্রবেশ করেছে। ছোট রাস্তা ও গলিগুলোও প্লাবিত হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের কোমরসমান পানি পেরিয়ে, দীর্ঘ যানজট ও ভেঙে পড়া যোগাযোগব্যবস্থার মধ্য দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে যেতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদেরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সন্তানদের কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে হচ্ছে।
নেতারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তবে বন্যাকবলিত অঞ্চলের লাখো শিক্ষার্থী চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা না করে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একইসঙ্গে সিলেটসহ যেসব অঞ্চলে এখনো বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি, সেখানে অবিলম্বে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন সূচি ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
এছাড়া বন্যাদুর্গত এলাকায় সরকারি উদ্যোগে পর্যাপ্ত ত্রাণ, উদ্ধার, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানায় সংগঠনটি।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট তিন দফা দাবি তুলে ধরে। দাবিগুলো হলো- বন্যাকবলিত শিক্ষা বোর্ড ও পরীক্ষাকেন্দ্রের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন সূচি ঘোষণা, ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তা ও শিক্ষা উপকরণের ব্যবস্থা এবং বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা দ্রুত সচল করা।
What's Your Reaction?