সরকার ক্রিকেটারদের টাকা দেয় না, বরং আমরাই সরকারকে ট্যাক্স দেই: মিরাজ
ক্রিকেটারদের আয় নিয়ে বোর্ড পরিচালক নাজমুল ইসলামের এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিপিএলের মাঝপথেই ক্রিকেট বয়কটের ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ওই মন্তব্যের জবাবে জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ স্পষ্ট করে বলেন, ক্রিকেটাররা সরকার থেকে কোনো টাকা পান না; বরং তাদের আয় থেকে সরকারকে ২৫ শতাংশ কর পরিশোধ করতে হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মিরাজ। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ভুল ধারণা রয়েছে—তাদের টাকায় ক্রিকেটাররা বেতন পান। বাস্তবতা ভিন্ন বলেই জানান এই অলরাউন্ডার। মিরাজ বলেন, ‘আমরা যখন খারাপ খেলি, তখন অনেক দর্শক বলে—আমাদের টাকায় খেলছে অথচ ফল দিচ্ছে না। আমি নিজে অনেক জায়গায় এ ধরনের মন্তব্যের মুখোমুখি হয়েছি। বিষয়টা পরিষ্কার করা দরকার। জনগণের জানা উচিত, ক্রিকেটারদের আয় আসে আইসিসির রেভিনিউ ও স্পন্সরশিপ থেকে। আমরা খেলি বলেই এই আয় তৈরি হয়। সরকার থেকে আমরা কোনো টাকা পাই না, বরং আমাদের আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ আয়কর দিতে হয়।’ এর আগে, ১৪ জানুয়ারি রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে বোর্ড পরিচালক এম নাজমুল মন্তব্য করেন, বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও
ক্রিকেটারদের আয় নিয়ে বোর্ড পরিচালক নাজমুল ইসলামের এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিপিএলের মাঝপথেই ক্রিকেট বয়কটের ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ওই মন্তব্যের জবাবে জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ স্পষ্ট করে বলেন, ক্রিকেটাররা সরকার থেকে কোনো টাকা পান না; বরং তাদের আয় থেকে সরকারকে ২৫ শতাংশ কর পরিশোধ করতে হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মিরাজ। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি ভুল ধারণা রয়েছে—তাদের টাকায় ক্রিকেটাররা বেতন পান। বাস্তবতা ভিন্ন বলেই জানান এই অলরাউন্ডার।
মিরাজ বলেন, ‘আমরা যখন খারাপ খেলি, তখন অনেক দর্শক বলে—আমাদের টাকায় খেলছে অথচ ফল দিচ্ছে না। আমি নিজে অনেক জায়গায় এ ধরনের মন্তব্যের মুখোমুখি হয়েছি। বিষয়টা পরিষ্কার করা দরকার। জনগণের জানা উচিত, ক্রিকেটারদের আয় আসে আইসিসির রেভিনিউ ও স্পন্সরশিপ থেকে। আমরা খেলি বলেই এই আয় তৈরি হয়। সরকার থেকে আমরা কোনো টাকা পাই না, বরং আমাদের আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ আয়কর দিতে হয়।’
এর আগে, ১৪ জানুয়ারি রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে বোর্ড পরিচালক এম নাজমুল মন্তব্য করেন, বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও বিসিবির আর্থিক ক্ষতি হবে না; ক্ষতি হবে ক্রিকেটারদের, কারণ তারা খেললে ম্যাচ ফি পান। বোর্ডের লাভ-ক্ষতির সঙ্গে বিষয়টি জড়িত নয় বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিশ্বকাপে পারফরম্যান্স না করলে যখন বেতন কাটা হয় না, তখন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কোন যুক্তিতে?
নাজমুল আরও বলেন, ‘আমরা তাদের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করি, কিন্তু তারা গিয়ে কিছুই করতে পারছে না। আজ পর্যন্ত আমরা কোনো বৈশ্বিক ট্রফি আনতে পারিনি।’
তার এসব বক্তব্যের পর ক্রিকেটারদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব একাধিকবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার পদত্যাগ দাবি করে। পরিস্থিতি একপর্যায়ে এতটাই উত্তপ্ত হয় যে বিপিএলের ম্যাচ বয়কটের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিসিবি এম নাজমুলকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলেও এখনো তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেননি। ফলে ক্রিকেটাররা তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত রেখেছেন।
বর্তমানে বিসিবি শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পথে হাঁটছে এবং এম নাজমুলের বিতর্কিত বক্তব্যের ব্যাপারে কার্যক্রম চলছে। তবে তার ভবিষ্যত কী হবে তা ক্রিকেটাঙ্গনের নজর কেন্দ্রে রয়েছে।
What's Your Reaction?