সরকারি হাসপাতালে ২৩ হাজারের বেশি পদ শূন্য : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর ২৩ হাজারের বেশি পদ শূন্য রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এর মধ্যে চিকিৎসকের পদই খালি রয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার। বুধবার (১০ জুন) সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন (নরসিংদী-১) এর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত মোট ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের মধ্যে বর্তমানে ৯ হাজার ৪০৭টি পদ শূন্য রয়েছে।’ তিনি আরও জানান, নার্সদের জন্য অনুমোদিত ৪৯ হাজার ৫০১টি পদের মধ্যে ৫ হাজার ৩২টি পদ খালি রয়েছে। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনুমোদিত ২৬ হাজার ৫৪৪টি স্বাস্থ্যকর্মীর পদের বিপরীতে ৮ হাজার ৭৮৪টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশে জলাতঙ্ক বা অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই। তিনি বলেন, ‘উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তিন স্তরে ভ্যাকসিনের মজুত রাখা হয়েছে। মজুত ফুরিয়ে গেলে প্রয়োজনে তাৎক

সরকারি হাসপাতালে ২৩ হাজারের বেশি পদ শূন্য : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর ২৩ হাজারের বেশি পদ শূন্য রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এর মধ্যে চিকিৎসকের পদই খালি রয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার।

বুধবার (১০ জুন) সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন (নরসিংদী-১) এর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত মোট ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের মধ্যে বর্তমানে ৯ হাজার ৪০৭টি পদ শূন্য রয়েছে।’

তিনি আরও জানান, নার্সদের জন্য অনুমোদিত ৪৯ হাজার ৫০১টি পদের মধ্যে ৫ হাজার ৩২টি পদ খালি রয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনুমোদিত ২৬ হাজার ৫৪৪টি স্বাস্থ্যকর্মীর পদের বিপরীতে ৮ হাজার ৭৮৪টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশে জলাতঙ্ক বা অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই।

তিনি বলেন, ‘উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে তিন স্তরে ভ্যাকসিনের মজুত রাখা হয়েছে। মজুত ফুরিয়ে গেলে প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ভ্যাকসিন কিনে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow