সরকারের ঋণের বোঝা ও জ্বালালির মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে প্রভাব ফেলবে
বর্তমান সরকারের ঋণের বোঝা ও জ্বালালি তেলের মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অ্যাড. কাজী রেজাউল হোসেন। তিনি বলেছেন, দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাবে। ক্রয়সীমা মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে। মানুষ একটা অপরিকল্পিত সমাজব্যবস্থার মধ্যে হাবুডুবু খাবে। সরকারের এটা চিন্তা করা উচিত। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ কংগ্রেস আয়োজিত ‘চতুর্থ জাতীয় কাউন্সিল-২০২৬’- এ উপস্থিত হয়ে তিনি এসব বলেন। কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, ঐকমত্য কমিশন গঠন হয়েছিল। শেষও হয়েছে। আমরা দেখেছি প্রায় দেড় কোটি টাকা এই ঐকমত্য কমিশনে খরচ হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়- ঐকমত্য কমিশনের এক কাপ চা-ও বাংলাদেশ কংগ্রেস খায়নি। কমিশনে আমরাও মতামত দেওয়ার জন্য অনেকবার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আমাদের ডাকা হয়নি। সরকারের খাল খনন প্রকল্পে ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাল খনন প্রজেক্ট নিয়ে অর্থ বরাদ্দ হবে এবং স্থানীয় নেতারা প্রজেক্টের টাকা লুটেপুটে খাবে। এটি বন্ধ করা উচিত, এখনই চিন্তা করা উচিত। অনুষ্ঠানে চতুর্থ জাতীয় কাউন্সিলে স্বাধীন শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, স্বাধীন ও নি
বর্তমান সরকারের ঋণের বোঝা ও জ্বালালি তেলের মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অ্যাড. কাজী রেজাউল হোসেন।
তিনি বলেছেন, দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাবে। ক্রয়সীমা মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে। মানুষ একটা অপরিকল্পিত সমাজব্যবস্থার মধ্যে হাবুডুবু খাবে। সরকারের এটা চিন্তা করা উচিত।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ কংগ্রেস আয়োজিত ‘চতুর্থ জাতীয় কাউন্সিল-২০২৬’- এ উপস্থিত হয়ে তিনি এসব বলেন।
কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, ঐকমত্য কমিশন গঠন হয়েছিল। শেষও হয়েছে। আমরা দেখেছি প্রায় দেড় কোটি টাকা এই ঐকমত্য কমিশনে খরচ হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়- ঐকমত্য কমিশনের এক কাপ চা-ও বাংলাদেশ কংগ্রেস খায়নি। কমিশনে আমরাও মতামত দেওয়ার জন্য অনেকবার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আমাদের ডাকা হয়নি।
সরকারের খাল খনন প্রকল্পে ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাল খনন প্রজেক্ট নিয়ে অর্থ বরাদ্দ হবে এবং স্থানীয় নেতারা প্রজেক্টের টাকা লুটেপুটে খাবে। এটি বন্ধ করা উচিত, এখনই চিন্তা করা উচিত।
অনুষ্ঠানে চতুর্থ জাতীয় কাউন্সিলে স্বাধীন শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
কেআর/এমকেআর
What's Your Reaction?