সরিষাবাড়ীতে রেল অবরোধ
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ‘জামালপুর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের রুট পরিবর্তন এবং সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনতা।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে উপজেলার জগন্নাথগঞ্জ ঘাট বাজার স্টেশন এলাকায় রেললাইন অবরোধ করে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। অবরোধের ফলে ওই রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘জামালপুর এক্সপ্রেস’ ট্রেনটিকে আগের রুট অর্থাৎ যমুনা সেতু (পূর্ব) হয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমান সময়সূচির কারণে ঢাকা থেকে ফিরতে গভীর রাত হয়ে যায়। তাই ট্রেনটি ঢাকা থেকে রাতে এবং জামালপুর থেকে ভোরে ছাড়ার দাবি জানানো হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ধলেশ্বরী ট্রেনটি চালু করে সেটির রুট উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে যমুনা সেতু (পশ্চিম) পর্যন্ত বর্ধিত করতে হবে বলে বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, বর্তমান সময়সূচির অব্যবস্থাপনায় যাত্রীরা চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। তারা আরও বলেন, ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে তারাকান্দিতে পৌঁছাতে বিকেল গড়িয়ে যায় এবং ফিরতি পথে ঢাকা পৌঁছাতে গভীর রাত হয়। মাঝরাতে স্টেশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। সাধারণ
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ‘জামালপুর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের রুট পরিবর্তন এবং সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনতা।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে উপজেলার জগন্নাথগঞ্জ ঘাট বাজার স্টেশন এলাকায় রেললাইন অবরোধ করে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। অবরোধের ফলে ওই রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘জামালপুর এক্সপ্রেস’ ট্রেনটিকে আগের রুট অর্থাৎ যমুনা সেতু (পূর্ব) হয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমান সময়সূচির কারণে ঢাকা থেকে ফিরতে গভীর রাত হয়ে যায়। তাই ট্রেনটি ঢাকা থেকে রাতে এবং জামালপুর থেকে ভোরে ছাড়ার দাবি জানানো হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ধলেশ্বরী ট্রেনটি চালু করে সেটির রুট উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে যমুনা সেতু (পশ্চিম) পর্যন্ত বর্ধিত করতে হবে বলে বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, বর্তমান সময়সূচির অব্যবস্থাপনায় যাত্রীরা চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। তারা আরও বলেন, ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে তারাকান্দিতে পৌঁছাতে বিকেল গড়িয়ে যায় এবং ফিরতি পথে ঢাকা পৌঁছাতে গভীর রাত হয়। মাঝরাতে স্টেশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা এখন এই রুটে চলাচল করতে ভয় পাচ্ছেন।
বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি অতি দ্রুত রেল কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে আগামীতে রেলপথ অনির্দিষ্টকালের জন্য অচল করে দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।