সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে সচিব আব্দুল কাদের মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে সেবাপ্রার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। সময়মতো অফিসে না আসা এবং বেশির সময় অফিসে অনুপস্থিত থাকার কারণে জন্মনিবন্ধন ও নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে পেতে হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এমন অভিযোগে সংবাদকর্মীরা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে ভিডিও ধারন করতে গেলে সন্ত্রাসী সচিব সংবাদকর্মীর মোবাইলসহ নগদ টাকা লুট করে নেয়। পরে সলঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তাক্ষনিক অভিযান চালিয়ে মোবাইল উদ্বার করে। তবে সন্ত্রাসী সচিবকে আটক করতে পারেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত অফিস সময় থাকলেও সচিব মিলন প্রায়ই দেরিতে অফিসে আসেন। অনেক দিন আবার তাকে অফিসে পাওয়া যায় না। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা মানুষজন প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে না পেরে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ভুক্তভোগী কয়েকজন সেবাপ্রার্থী জানান, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে এসে সচিবকে না পেয়ে বারবার ঘুরতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ দুই-ই নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সাধারণ মানুষ নির্ধা

সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে সচিব আব্দুল কাদের মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে সেবাপ্রার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। সময়মতো অফিসে না আসা এবং বেশির সময় অফিসে অনুপস্থিত থাকার কারণে জন্মনিবন্ধন ও নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে পেতে হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

এমন অভিযোগে সংবাদকর্মীরা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে ভিডিও ধারন করতে গেলে সন্ত্রাসী সচিব সংবাদকর্মীর মোবাইলসহ নগদ টাকা লুট করে নেয়। পরে সলঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তাক্ষনিক অভিযান চালিয়ে মোবাইল উদ্বার করে। তবে সন্ত্রাসী সচিবকে আটক করতে পারেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত অফিস সময় থাকলেও সচিব মিলন প্রায়ই দেরিতে অফিসে আসেন। অনেক দিন আবার তাকে অফিসে পাওয়া যায় না। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা মানুষজন প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে না পেরে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ভুক্তভোগী কয়েকজন সেবাপ্রার্থী জানান, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে এসে সচিবকে না পেয়ে বারবার ঘুরতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ দুই-ই নষ্ট হচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সাধারণ মানুষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা পেতে পারেন। এবিষয়ে সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদে সাংবাদিকরা উপস্থিত হয়ে দেখেন সলঙ্গা ৮নং ইউনিয়নের সচিব আব্দুল কাদের মিলন অফিসে নেই।

কথা হয় ইউনিয়ন হিসাব সহকারী রানা ও গ্রাম পুলিশ নূরুল হোসেনের সাথে, তারা জানান সচিব মিলন প্রায় অফিসে দেরি করে আসেন। এজন্য সেবাপ্রার্থীরা ভোগান্তির শিকার হন। এরপরেই সচিব মিলন সিএনজি যোগে সকাল ৯.৩৯ মিনিট উপস্থিত হন।

যেখানে প্রজ্ঞাপনে জারি আছে সকাল ৯টায় উপস্থিত থেকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে হবে। কিন্তু তিনি সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে মানছেন না সরকারি নীতিমালা। এবিষয়ে সলঙ্গা ইউনিয়নের সচিব আব্দুল কাদের মিলনের সাথে কথা বলতে গেলে সে সাংবাদিকদের সাথে খারাব আচরণ করেন।

সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাকিউল আযম জানান, অভিযোগ পাবার পরই অভিযান চালিয়ে মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। যেহেতু সরকারী কর্মচারী তাই অভিযোগের কপি ইউএনও এবং ডিসিকে দেয়া হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম আরিফ মুঠোফোনে বলেন, আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্তা গ্রহণ করবো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow